
শেষ আপডেট: 28 April 2023 13:23
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে (Justice Abhijit Ganguly) নিয়োগ মামলা থেকে সরানোর ব্যাপারে মাইলফলক রায় ঘোষণা করেছে সুপ্রিম কোর্ট। তা নিয়ে হাইকোর্ট পাড়া থেকে রাজ্য রাজনীতি যখন আন্দোলিত তখন বড় কথা ঘোষণা (big announcement) করলেন তিনি।
এদিন দুপুর আড়াইটে নাগাদ এজলাসে আসেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলকে বলেছি, রাত ১২ টার মধ্যে ট্রান্সক্রিপ্ট (transcript) পাঠাতে। আমি রাত সওয়া ১২ টা পর্যন্ত চেম্বারে থাকব”।
বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় টেলিভিশনে যে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন, সে ব্যাপারে হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে রিপোর্ট চেয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। তার পর কলকাতা হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের সাক্ষাৎকারের অনুবাদ তথা ট্রান্সক্রিপ্ট সুপ্রিম কোর্টে পাঠান। সেই সঙ্গে একটি রিপোর্টও পাঠান।
ওই রিপোর্টে কী লেখা হয়েছিল, ট্রান্সক্রিপ্টেই বা কী লেখা হয়েছে তা দেখতে চেয়েছেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। এদিন তিনি এজলাসে জানিয়েছেন, স্বচ্ছতার কারণেই তিনি ট্রান্সক্রিপ্ট ও রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছেন।
তাৎপর্যপূর্ণ হল, শুক্রবার শুনানির সময়ে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় বলেছিলেন, “ঠিক যে কারণে আমরা মামলাটি অন্য এজলাসে সরানোর কথা বলছি, তা হল শুধুমাত্র ওই ট্রান্সক্রিপ্ট (টিভিতে দেওয়া বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের সাক্ষাৎকারের অনুবাদ)।” প্রধান বিচারপতি এর পরই বলেন, “যাতে প্রকাশ্যে কেউ বলতে না পারেন যে বিচারপতি পক্ষপাতদুষ্ট ছিলেন”
সম্ভবত সেই কারণেই ট্রান্সক্রিপ্ট দেখতে চেয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এদিন তাঁর এজলাসে নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত দুটি মামলার শুনানি নির্ধারিত ছিল। তা এদিন শোনেনি বিচারপতি।
কুণাল ঘোষকে প্রণাম, ওঁর কথাই মিলে গেল, সুপ্রিম কোর্টের রায় ঘোষণার পর বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়