
শেষ আপডেট: 3 March 2023 11:29
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শুক্রবার বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে গ্রুপ সি মামলার (Group C Case) হলফনামা জমা দেয় স্কুল সার্ভিস কমিশন (SSC)। সেই হলফনামা দেখে বিস্মিত হলেন বিচারপতি (Justice Abhijit Ganguly)। এই মামলার তদন্ত করছে সিবিআই। তার মাঝেই কমিশন আদালতে (Calcutta High Court) টেনে আনল আড়ালে থাকা এক তথ্য।
কী বলেছে কমিশন?
এসএসসি আদালতে বলেছে, গ্রুপ সি নিয়োগে পরীক্ষার্থীদের নম্বরে হেরফের রয়েছে। ওএমআর শিটের প্রাপ্ত নম্বরে সঙ্গে কমিশনের কাছে থাকা নম্বরের কোনও মিল নেই। নিয়োগ পরীক্ষায় মূল্যায়নকারী সংস্থা নাইসা-র সার্ভারে যে পরীক্ষার্থীর নম্বর ৪০ রয়েছে, কমিশনের কাছে সেটাই দেখা যাচ্ছে ১০।
কীভাবে এমন হল, বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের এই প্রশ্নে কমিশন জানায়, তৎকালীন কমিশনে যাঁরা ছিলেন তাঁরাই অযোগ্যদের নিয়োগের জন্য এমন করে থাকতে পারেন। যা শুনে হতবাক হয়ে যান বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। তারপরই গ্রুপ সি-র ওএমআর শিট প্রকাশ্যে আনার নির্দেশ দেন তিনি। তিনি বলেন, আগামী ৯ মার্চের মধ্যে কমিশনকে তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে হবে।
এদিন আদালতে পেশ করা হলফনামায় কমিশন দাবি করেছে, উত্তরপত্র মূল্যায়নের দায়িত্বে থাকা গাজিয়াবাদের সংস্থার থেকে প্রাপ্ত নম্বরের সঙ্গে কমিশনের সার্ভারে থাকা নম্বরের বিস্তর ফারাক রয়েছে।
কীভাবে এমন ফারাক হল তা বলতে গিয়েই কমিশনের পূর্বতন কর্মীদের প্রসঙ্গ টেনে আনে এসএসসি। যা শুনে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের পর্যবেক্ষণ, এই দুর্নীতি নিয়ে সবচেয়ে বেশি বলতে পারবেন কমিশনের প্রাক্তন চেয়ারম্যান সুবীরেশ ভট্টাচার্য। সিবিআইয়ের উচিত দফায় দফায় তাঁকে জেরা করা।