
শেষ আপডেট: 14 December 2023 17:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো, জলপাইগুড়ি: কলকাতা হাইকোর্টের জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চে বিচারপতি হিসেবে এখন উপস্থিত রয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বুধবার সন্ধ্যায় জলপাইগুড়ি শহরের ‘বই ঠেক খানা’ নামে একটি ক্যাফেতে এসে খানিকটা সময় কাটিয়ে গেলেন তিনি। বিচারপতিকে দেখে উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠেন সেখানকার কর্মীরা।
জলপাইগুড়ি শহরের নতুন প্রজন্মের কাছে এখন অত্যন্ত জনপ্রিয় ‘বই ঠেক খানা’। সুস্বাদু খাবার খেতে খেতেই এখানকার লাইব্রেরিতে বসে বই পড়া যায়৷ দাবা খেলা যায়। গান বাজনাও করা যায়। এদিন সন্ধ্যায় আচমকাই ওই ক্যাফেতে চলে আসেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁকে দেখে হকচকিয়ে যান সেখানকার কর্মী ও উপস্থিত মানুষজনেরা। রেস্তোরাঁয় এসে তিনি প্রথমে টেবিলে বসেন। এরপর হোটেলের মেনু কার্ড দেখে এখানকার বিখ্যাত আইটেম ফ্রায়েড মোমো অর্ডার করেন। আর এতেই আরও অবাক হয়ে যান সেই সময় সেখানে উপস্থিত থাকা তরুণ-তরুণীরা।
অর্ডার দেওয়ার পর তিনি সেখানকার লাইব্রেরিতে রাখা বই নিয়ে পড়তে শুরু করেন। কিছুক্ষণ পর অর্ডার সার্ভ হলে টেবিলে বসে ফ্রায়েড মোমো খান। আশেপাশে থাকা মানুষজন ছবি তুলবার অনুরোধ করলে নিরাশ করেননি বিচারপতি। অনেকের সঙ্গেই ছবি তোলেন। পরে বিল মিটিয়ে চলে যান। জানা গেছে প্রায় ৪০ মিনিট মতো ক্যাফেতে ছিলেন বিচারপতি।
ক্যাফের ফ্লোর ম্যানেজার শ্রীবাস সরকার বলেন, “ব্যাপারটা আমাদের কাছে রীতিমতো সারপ্রাইজ। ওঁর মতো একজন বিশিষ্ট মানুষ আমাদের এখানে আসবেন তা আমরা কোনওদিন ভাবতেই পারিনি। ওই ৪০ মিনিট ছিল একেবারে স্বপ্নের মতো। হকচকিয়ে গিয়েছিলাম। উনি চলে যাওয়ার অনেক পরে ধাতস্থ হই।” পীযূষ দাস নামে এক কর্মী বলেন, “যাকে আমরা টিভিতে খবরের শিরোনামে দেখে থাকি, আজ তিনি আমাদের এখানে আসবেন তা ভাবতেই পারিনি। মেনু দেখে ফ্রায়েড মোমো অর্ডার দিলেন। এরপর বই পড়লেন। খাবার সার্ভ করা হলে উনি খেলেন। এরপর বিল মিটিয়ে চলে গেলেন। বিচারপতিকে আমরা অনুরোধ করলাম আমাদের সঙ্গে ছবি তোলার জন্য। উনি রাজি হলেন। বিরল মুহূর্ত আমরা ক্যামেরাবন্দি করে রেখেছি।”