
শেষ আপডেট: 13 October 2022 04:28
দ্য ওয়াল ব্যুরো: চলে গেলেন (death) প্রবীণ সাংবাদিক (journalist), কবি (poet) এবং শিক্ষক (professor) কৃষ্ণ ধর (Krishna Dhar)। দীর্ঘদিন ধরে তিনি শয্যাশায়ী ছিলেন। ভুগছিলেন বার্ধক্যজনিত অসুখে। আজ কলকাতার একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। বয়স হয়েছিল ৯৩।
কৃষ্ণবাবুর মৃত্যুতে গভীর শোকপ্রকাশ করেছে কলকাতা প্রেস ক্লাব। বুধবার রাতে ক্লাব সভাপতি স্নেহাশিস সুর ও সম্পাদক কিংশুক প্রামাণিক একটি বিবৃতি জারি করে জানিয়েছেন যে, 'তাঁর প্রয়ানে বাংলা সাংবাদিকতার জগৎ একজন মরমী শিক্ষক, সংবেদনশীল সম্পাদক হারালো। কলকাতা প্রেস ক্লাব তাঁর স্বজন ও বন্ধুবর্গের প্রতি গভীর সহমর্মিতা জ্ঞাপন করছে।'

কবি পরিচয়েই সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় ছিলেন কৃষ্ণ ধর। পেশাগত জীবনে তিনি ছিলেন একজন সাংবাদিক এবং শিক্ষক। যুগান্তর পত্রিকায় গুরুত্বপূর্ণ পদে দীর্ঘদিন আসীন ছিলেন। পরে বসুমতী পত্রিকার সম্পাদক হন।
এছাড়াও তাঁর আরও একটি পরিচয় রয়েছে। তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন বিভাগের অতিথি অধ্যাপক হিসেবে পড়িয়েছেন দীর্ঘদিন। মূলত সংবাদপত্রের ইতিহাস পড়াতেন। পড়ুয়াদের কাছে তাঁর ক্লাস ছিল খুবই আকর্ষণীয়। ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে অত্যন্ত শ্রদ্ধার পাত্র ছিলেন তিনি। তাঁর মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ পড়ুয়া থেকে শুরু করে সাংবাদিকতা ও সাহিত্যজগতের মানুষজন।
তাঁর অসংখ্য কাব্যগ্রন্থের অন্যতম ‘অঙ্গীকার’, ‘হে সময় হে সন্ধিক্ষণ’, ‘আমার হাতে রক্ত,’ ‘দুঃসময় কবিতার লেখকের কাছে’, ইত্যাদি। উল্লেখযোগ্য বই ‘আধুনিক কবিতার উৎস’, ‘সাহিত্যের সাজঘর’, ‘সাংবাদিকতার দর্শন ও বিচ্যুতি’, ‘মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ’।
বাংলা সাহিত্যের হাতেগোনা যে ক'জন কাব্যনাটক লেখেন, কৃষ্ণ ধর ছিলেন তাঁদের পথিকৃৎ। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যনাট্যগুলি হল, 'ঘরে ফেরার দিন', 'বনজ্যোৎস্না' ও 'সমবেত করতালি'।
দেদার ছাপ্পার অভিযোগ মেডিক্যাল কাউন্সিলের ভোটে, রিটার্নিং অফিসার ছুটে উঠলেন অটোয়