মমতা নাকি বলেছিলেন 'মাথা ঠান্ডা রাখো', জিতেন্দ্র শুনলেন না, ইস্তফা দিলেন
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শুভেন্দু অধিকারীর পথই অনুসরণ করলেন পাণ্ডবেশ্বরের তৃণমূল বিধায়ক জিতেন্দ্র তিওয়ারি। জেলা সভাপতি পদ থেকেও ইস্তফা দিলেন জিতেন্দ্র । ছাড়লেন দলও। পুর প্রশাসক পদ ছাড়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই পাণ্ডবেশ্বরে তাঁর বিধায়ক কার্যালয়ে দুষ্কৃতীর
শেষ আপডেট: 17 December 2020 09:59
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শুভেন্দু অধিকারীর পথই অনুসরণ করলেন পাণ্ডবেশ্বরের তৃণমূল বিধায়ক জিতেন্দ্র তিওয়ারি। জেলা সভাপতি পদ থেকেও ইস্তফা দিলেন জিতেন্দ্র । ছাড়লেন দলও। পুর প্রশাসক পদ ছাড়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই পাণ্ডবেশ্বরে তাঁর বিধায়ক কার্যালয়ে দুষ্কৃতীরা হামলা করে বলে অভিযোগ জিতেন্দ্র তিওয়ারির। তারপরেই দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি।
বুধবার দুপুরে আসানসোলের প্রশাসকের গরম গরম কথা সকলে শুনেছেন! পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমকে যা নয় তাই বলে সমালোচনা করেছিলেন তিনি। এও বলেছিলেন, "শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে ববি হাকিম কথা বলবে, মানায় নাকি!"
দেখুন ভিডিও:
https://www.youtube.com/watch?v=QoeoflYYaiw
তৃণমূল সূত্রে তার পর জানা গিয়েছিল, তার পর নাকি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উত্তরবঙ্গ থেকে তাঁকে ফোন করে নাকি বলেছিলেন, "মাথা ঠান্ডা রাখো। ১৮ তারিখ আমার সঙ্গে দেখা করো।"
জিতেন্দ্র মাথা আর ঠান্ডা করলেন না। তাওয়া গরম থাকতে থাকতে বৃহস্পতিবার আসানসোলের প্রশাসক পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে দিলেন। তৃণমূলের বিধায়ক পদ থেকে তিনি অবশ্য এখনও ইস্তফা দেননি।
সন্দেহ নেই, আসানসোল-দুর্গাপুরে তৃণমূলের রাজনৈতিক জমি দেখভাল করতে দলের বড় ভরসা ছিল জিতেন্দ্রর উপর। কিন্তু পর্যবেক্ষকদের মতে, জিতেন্দ্র বুঝতে পারছিলেন সেখানে তৃণমূলের জনভিত্তি দুর্বল হচ্ছে। পায়ের তলা থেকে মাটি সরছে। লোকসভা ভোটে পাণ্ডবেশ্বরেও বিজেপির কাছে পিছিয়ে ছিল তৃণমূল।
তবে জিতেন্দ্র বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। বৃহস্পতিবার দলের প্রাথমিক সদস্য পদ ছেড়েছেন। তার পর থেকেই ইস্তফার হিড়িক পড়ে গিয়েছে রাজ্য জুড়ে। শুভেন্দু অধিকারীর অনুগামী ব্লক সভাপতি, প্রশাসক, জেলা পরিষদের সদস্যরা পদ ছাড়তে শুরু করেছেন। তা দিনভর চলবে বলে মনে করা হচ্ছে।