
শেষ আপডেট: 6 April 2022 04:31
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ঝালদার (Jhalda) সদ্য নির্বাচিত কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন কান্দুর (Tapan Kandu) খুনের একমাত্র প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন নিরঞ্জন বৈষ্ণব। বুধবার সকালে তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হল ঘরের ভিতর থেকে। প্রত্যক্ষ্যদর্শীর এই অস্বাভাবিক মৃত্যুতে আরও জটিল হয়ে উঠেছে ঝালদার পরিস্থিতি। সকাল থেকে উত্তপ্ত গোটা এলাকা। পুলিশের বিরুদ্ধে চাপ সৃষ্টি করার অভিযোগ তুলেছেন নিরঞ্জন বৈষ্ণবের পরিবারের লোকজন।
আরও পড়ুন: দক্ষিণ ২৪ পরগনা ভেঙে মাথা তুলবে তিন জেলা! পশ্চিমবঙ্গের মানচিত্রে বদল আসছে
এমনিতেই ঝালদায় পুরবোর্ড গঠনের আগে অশান্তি লেগেই আছে। কংগ্রেস সেখানে বুধবার অর্ধদিবস বনধের ডাক দিয়েছে। আজ সন্ধ্যে ৬টা পর্যন্ত ঝালদায় বন্ধ চলবে। তার মাঝে সকাল হতেই দেখা গেল এমন অপ্রীতিকর ঘটনা।
জানা গেছে মৃত নিরঞ্জন বৈষ্ণব তপন কান্দুর ঘনিষ্ঠ ছিলেন, সবসময় তাঁর সঙ্গে সঙ্গেই ঘুরতেন। সেদিনকার ঘটনার সাক্ষীও তিনিই ছিলেন বলে খবর। চোখের সামনে তিনি তপন কান্দুকে খুন হতে দেখেছিলেন। এদিন তাঁর ঝুলন্ত দেহের পাশ থেকে মিলেছে একটি সুইসাইড নোট। তাতে লেখা রয়েছে, মানসিক অবসাদে আত্মঘাতী হয়েছেন নিরঞ্জন।
পরিবারের দাবি, পুলিশ লাগাতার জেরা করছিল নিরঞ্জনকে। সময়ে অসময়ে ডাক পড়ছিল থানা থেকে। পুলিশ নানাভাবে তাঁর উপর চাপ সৃষ্টি করছিল বলেও অভিযোগ তুলেছে নিরঞ্জনের পরিবার। মানসিকভাবেও বিধ্বস্ত ছিলেন নিরঞ্জন। যে ঘর থেকে তাঁর ঝুলন্ত দেহ পাওয়া গেছে সেখানে তিনি রাতে থাকতেন না বলেও খবর পরিবার সূত্রে। সেই ঘরে আজ ভোর ৬টা নাগাদ নাকি ঢুকেছিলেন নিরঞ্জন। তারপর একটু বেলা গড়াতে দেখা যায় ঘরের মধ্যে ঝুলছে তাঁর নিথর দেহ। ঝালদা কাণ্ডের তদন্তভার দেওয়া হয়েছে সিবিআইকে। ইতিমধ্যে তপন কান্দুর দাদা গ্রেফতার হয়েছেন। ভাইপোকেও হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।