
শেষ আপডেট: 9 April 2022 06:27
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ঝালদায় কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন কান্দু খুনের (Jhalda Murder) তদন্ত শুরু করেছে সিবিআই। এই খুনের ঘটনায় নিহতের পরিবার গোড়া থেকেই আইসি সঞ্জীব ঘোষের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলছিল। তাঁকে গত বৃহস্পতিবার ক্যাম্পে ডেকে জেরা করেছিলেন গোয়েন্দারা। শনিবার তলব করা হয়েছে এসডিপিও সুব্রত দেবকে।
কাউন্সিলর খুনের ঘটনায় ক্লোজ হওয়া পাঁচ পুলিশকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর শুক্রবার তপন কান্দু ও তাঁর ভাইপো মিঠুন কান্দুর দুটি মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করেছে সিবিআই। সেই দুটি মোবাইল সেটের ফরেনসিক পরীক্ষা হবে বলে জানিয়েছেন সিবিআই কর্তারা।
ঝালদা মামলায় ক্রমশ রহস্য ঘণীভূত হচ্ছে। সিবিআইকে তদন্তভার দেওয়ার হাইকোর্টের নির্দেশদের পরেই দেখা যায় তপন খুনের একমাত্র প্রত্যক্ষদর্শী তাঁর বন্ধু নিরঞ্জন ঘোষ আত্মঘাতী হয়েছেন। যা নিয়ে ধন্দ তৈরি হয়েছে। আত্মঘাতী নিরঞ্জনের সুইসাইড নোটেও পুলিশি চাপের কথার উল্লেখ রয়েছে।
তপন কান্দুর স্ত্রী পূর্ণিমা কান্দু গোপন জবানবন্দি দিয়েছেন আদালতে। পরে সাংবাদিকদের বলেছেন, তাঁর স্বামীকে সরিয়ে দিতে পুরো নকশাটাই করেছিল পুলিশ। তাঁর অভিযোগ, এই গোটা কাণ্ডের হোতা ছিলেন আইসি সঞ্জীব ঘোষ।
অনেকের মতে, তদন্ত চলাকালীন যে ভাবে পুরুলিয়ার পুলিশ সুপার সাংবাদিক বৈঠক করে তপন খুনকে পারিবারিক বিবাদ বলে দেখাতে চেয়েছিলেন এবং অভিযোগের বর্শাফলক যাঁর দিকে সেই আইসি সঞ্জীব ঘোষকে ক্লিনচিট দিয়েছিলেন তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। প্রসঙ্গত, তপন কান্দু খুনের পরের দিনই প্রবীণ কংগ্রেস নেতা নেপাল মাহাতো বলেছিলেন, এই খুনের পিছনে পুলিশের যোগ রয়েছে।
বনগাঁয় গৃহবধূর রহস্যমৃত্যু! খুনি ভেবে আইনজীবী স্বামীকে গণধোলাই দিল জনতা