
শেষ আপডেট: 10 January 2024 20:14
দ্য ওয়াল ব্যুরো, জলপাইগুড়ি: গত বছর মিথ্যে অভিযোগে লকআপে কাটাতে হয়েছিল কয়েকটা দিন। পরে অবশ্য আসল সত্যি সামনে এলে পুলিশ তাঁকে ছেড়েও দেয়। কিন্তু লকআপে কাটানো দিনগুলিতে সাহস জুগিয়েছিল পুলিশই। পুলিশের সেই ভূমিকা আজও ভোলেননি জলপাইগুড়ির অঙ্কুর দাস। সেই সহযোগিতার জন্য ঘটনার একবছর পূর্তিতে থানায় গিয়ে পুলিশকে ফুল, মিষ্টি দিয়ে ধন্যবাদ জানিয়ে এলেন।
গত বছর ৫ জানুয়ারি জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজের অধীনে থাকা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে মারা গিয়েছিল ক্রান্তির বাসিন্দা লক্ষ্মীরানি দেওয়ান। অভিযোগ, তার মৃতদেহ বাড়িতে পৌঁছে দিতে ৩ হাজার টাকা দাবি করেছিল মেডিক্যাল কলেজের অ্যাম্বুল্যান্স ড্রাইভারেরা।
লক্ষ্মীরানির স্বামী জয়কৃষ্ণ দেওয়ানের পক্ষে এত টাকা দেওয়া সম্ভব ছিল না। অপারগ হয়ে শবদেহ কাঁধে নিয়ে বাড়ির পথে রওনা হয়েছিলেন তিনি। সে ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই শববাহী গাড়ি নিয়ে হাজির হয়েছিলেন গ্রিন জলপাইগুড়ি সেচ্ছাসেবী সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অঙ্কুর দাস। তিনিই বিনামূল্যে ক্রান্তির বাড়িতে পৌঁছে দিয়েছিলেন লক্ষ্মীরানির শবদেহ।
এরপরেই জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানায় অ্যাম্বুল্যান্স সংগঠন অঙ্কুরের বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগের ভিত্তিতে ২০২৩ সালে ১০ জানুয়ারি পুলিশ অঙ্কুর দাসকে গ্রেফতার করে। সেই ঘটনার এক বছর পেরিয়ে গেলেও তিনি ভোলেননি সেই অপমানের কথা। তবে সেই সময় পুলিশ তাঁকে যথেষ্ট সাহায্য করায় কৃতজ্ঞ তিনি।
অঙ্কুর দাস জানান, তাঁকে গ্রেফতার করে থানার লকআপে রাখা হলেও তাঁর সঙ্গে কর্তব্যরত পুলিশকর্মীরা অত্যন্ত ভালো ব্যবহার করেছিলেন।