সুলভ উপাদানে, কম খরচে কার্যকরী থ্রি-লেয়ার্ড মাস্ক বানাচ্ছেন যাদবপুরের গবেষকরা
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মাস্কের আকাল শুরু হয়েছে গোটা দেশজুড়েই। করোনা সংক্রমণের বিস্তার যত বাড়ছে, ততই সতর্কতার মাত্রা বাড়ছে। আর এই অবস্থায় প্রায় মিলছেই না মুখঢাকার মাস্ক। এবার এগিয়ে এল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। সহজলভ্য উপকরণ দিয়ে সুলভে মাস্ক তৈরি ক
শেষ আপডেট: 6 April 2020 12:55
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মাস্কের আকাল শুরু হয়েছে গোটা দেশজুড়েই। করোনা সংক্রমণের বিস্তার যত বাড়ছে, ততই সতর্কতার মাত্রা বাড়ছে। আর এই অবস্থায় প্রায় মিলছেই না মুখঢাকার মাস্ক। এবার এগিয়ে এল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। সহজলভ্য উপকরণ দিয়ে সুলভে মাস্ক তৈরি করার উদ্যোগ নিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা।
সূত্রের খবর, যাদবপুরের সেন্টার ফর অ্যাপ্রোপ্রিয়েট সোশ্যাল টেকনোলজিস বিভাগের অধ্যাপক-গবেষকরা বাড়িতে বসেই সস্তায় মাস্ক তৈরির বিষয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা চালাতে শুরু করেছেন কয়েক দিন ধরেই। শেষমেশ সহজে ও সস্তায় একটি ত্রিস্তরীয় মাস্ক তৈরি করতে পেরেছেন তাঁরা।
গবেষকরা জানিয়েছেন, মাস্কটির বাইরের স্তর দুটো পলিপ্রোপিলিন ফ্যাব্রিক দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। আর ভিতরের দিকের অংশটি একটি তুলোর তোয়ালে অভ্যন্তরীণ অংশ দিয়ে প্রস্তুত করা হয়েছে, যাতে ব্যবহারকারীর অস্বস্তি না হয়।

এবার এই মাস্ক ভাইরাসের সংক্রমণ কতটা আটকাতে পারবে, সেটাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে এই পর্যায়ে।
লকডাউনের কারণে অবশ্য এখন বন্ধ রয়েছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয় খুললে ল্যাবরেটরিতে এই মাস্ক নিয়ে আরও বড় মাপে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা যেতে পারে বলে জানানো হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে। আরও জানানো হয়েছে, থ্রি-লেয়ার মাস্কটি যথেষ্ট উপযুক্ত পদ্ধতি মেনেই তৈরি করা হয়েছে। সেলাই মেশিনের সাহায্যে বা হাতে সেলাই করেও খুব সহজেই তৈরি করা যাবে এই মাস্ক।
ভারতে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে করোনায়। এই নিয়ে ১০৯ জন মারা গেছেন। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে প্রায় ৪,০০০ মানুষ আক্রান্ত করোনাভাইরাসে।
এই পরিস্থিতিতে একা যাদবপুর নয়, ন্টি-মাইক্রোবিয়াল উপাদানে তৈরি বিশেষ রকম সার্জিক্যাল মাস্ক বানাচ্ছে কানপুরের ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির গবেষকরাও। অধ্যাপক তরুণ গুপ্ত বলেছেন, “এন৯৫ মাস্কের থেকেও বেশি কার্যকরি হবে এই অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল কোটিং মাস্ক। কারণ এর অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল উপাদান ভাইরাস শুধু আটকাবেই না, তাকে অকেজোও করে দেবে। যার কারণে সংক্রমণ শরীরে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা কমবে।”