
শেষ আপডেট: 14 July 2024 13:29
দ্য ওয়াল ব্যুরো, উত্তর দিনাজপুর: শনিবার ছিল উপনির্বাচনের ফল ঘোষণা হয়েছে। তার মধ্যে গুলিতে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হল ইসলামপুরের এক তৃণমূল নেতা। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়। এই ঘটনার পরে মৃতের বাড়ির সদস্যরা সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। দোষী শাস্তির দাবি করেছেন। নিহত তৃণমূল নেতা বাপি রায়ের পরিবারের দাবি, কারা, কী কারণে তাঁদের ছেলের উপর হামলা চালাল, কিছুই জানেন না আত্মীয়রা।
নিহত তৃণমূল কর্মীর স্ত্রী জানিয়েছেন, "বিকেলে কেউ বাপিকে ফোন করে ডেকেছিল। হোটেলে বাপি ছাড়াও দলের অনেকেই ছিলেন। আমাদের ফোনে বলা হয় বাপির উপর গুলি চলেছে। সেখানে ছুটে গিয়েছিলাম। দেখি, গুলি চালিয়ে আমার স্বামীর শরীর ঝাঁঝরা করে দেওয়া হয়েছে।"
বাপি রায়ে দিদি জানান, "যারা এটা করেছে, আমরা তাদের ফাঁসি চাই। সিবিআই তদন্ত চাই।" শনিবার রায়গঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রে জয়ী হয়েছে তৃণমূল প্রার্থী কৃষ্ণ কল্যাণী। বিজেপি থেকে তৃণমূলের যাওয়া এই প্রার্থী ৫০ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধানে জিতেছেন। ফলাফল ঘোষণার পরে যখন সকলেই বিজয় উল্লাসে মেতে রয়েছেন, তখন ইসলামপুর শ্রীকৃষ্ণপুর এলাকায় গুলি চলার ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, জাতীয় সড়কের পাশেই একটি হোটেলে বসে খাবার খাচ্ছিলেন বাপি রায় ও মহম্মদ সাজ্জাদ নামে দুই তৃণমূল কর্মী। সেই সময়ে ৯-১০জন যুবক তাঁদের ঘিরে ঘরে। খুব কাছ থেকে বাপি ও সাজ্জাদকে লক্ষ্য করে পরে পর গুলি চালিয়ে পালিয়ে যায়। রক্তাক্ত অবস্থা মাটিতে লুটিয়ে পড়েন দুই তৃণমূল কর্মী। স্থানীয়রা তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে বাপি রায়ের মৃত হয়। গুরুতর অবস্থায় এখনও হাসপাতালেই চিকিৎসাধীর রয়েছেন সাজ্জাদ।