
শেষ আপডেট: 27 September 2020 18:30
ইনফ্ল্যামেটরি মার্কার দিয়ে বিশেষ পরীক্ষা করে গবেষকরা দাবি করেছেন, শরীরে নির্দিষ্ট পরিমাণ ভিটামিন ডি প্রদাহজনিত রোগ বা সাইটোকাইন স্টর্ম আটকাতে পারে। এক্ষেত্রে সিআরপি সি রিঅ্যাকটিভ প্রোটিন দিয়ে তাঁরা পরীক্ষা চালিয়ে দেখেছেন, প্রদাহনিত রোগ কমাতে ভিটামিন ডি-এর ভূমিকা রয়েছে। সিআরপি সি প্রোটিন ইনফ্ল্যামেটরি লেভেল পরীক্ষা করে। যদি দেখা যায় প্রদাহ বা ইনফ্ল্যামেশন বাড়ছে তাহলে সংক্রমণে জটিল রোগের আশঙ্কাও বাড়ে।
বস্টন ইউনিভার্সিটি স্কুল অব মেডিসিনের গবেষক ডক্টর মাইকেল এফ ফোলিক বলেছেন, কোভিড রোগীদের উপর সমীক্ষা চালিয়ে একটা বিষয় নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, দুর্বল শরীর ও ক্রনিক রোগ যাদের আছে, তারাই বেশি আক্রান্ত এই ভাইরাসের সংক্রমণে। রিস্ক ফ্যাক্টর অবশ্য আরও আছে। তবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা যাদের কম, তাদের সংক্রমণের ঝুঁকি বাকিদের থেকে বেশি। এখন রোগ প্রতিরোধ বাড়াতে ভিটামিন ডি-এর ভূমিকার কথা কারও অজানা নয়। দেখা গেছে, বেশিরভাগ কোভিড রোগীরই শরীরে ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি রয়েছে। ভিটামিন ডি যদি শরীরে সঠিক মাত্রায় থাকে, তাহলে সংক্রামিত হওয়ার ঝুঁকি অনেকটাই কমে। ভিটামিন ডি-এর ঘাটতিকে চিকিৎসার পরিভাষায় বলা হয় ভিটামিন ডি ডেফিশিয়েন্সি (ভিডিডি)। দেখা গেছে, ৬ বছর থেকে ১৮ বছর বয়সী প্রায় ৭০ শতাংশ মেয়েই ভিডিডি-তে ভোগেন। তাছাড়া ৬০ বছরের বেশি বয়সী পুরুষ ও মহিলারাও এই রোগের শিকার।
ভিটামিন ডি-এর উৎস হল সূর্যালোক। সূর্যের আলোয় শরীর নিজেই ভিটামিন ডি বানিয়ে নিতে পারে। এর পাশাপাশি কিছু খাবারও আছে যা ভিটামিন ডি-র অভাব পূরণ করতে পারে। সামুদ্রিক মাছ, মাছের তেল, দুধ, দই জাতীয় খাবারেও ভিটামিন ডি থাকে। গবেষকরা বলছেন, ভিটামিন-ডি সাপ্লিমেন্টও দ্রুত কাজ করে। তবে মুঠো মুঠো ট্যাবলেটের বদলে রোদে কিছুক্ষণ ঘোরাঘুরি করা অনেক বেশি ভাল। ডায়েট দিয়েও অভাব মেটানো যায়।