
শেষ আপডেট: 4 November 2020 18:30
ইনফ্লুয়েঞ্জার মতোই উপসর্গ দেখা গিয়েছে আক্রান্তের শরীরে। জানা গিয়েছে, রোগীর শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হচ্ছে। ভাইরাসের জিনোম বিশ্লেষণ করা হবে। তবে রোগী এখন সুস্থ হয়ে উঠেছেন বলেই খবর।
করোনা কালেই চিনে সোয়াইন ফ্লুয়ের নতুন রকম ভাইরাল স্ট্রেন খুঁজে পাওয়া গিয়েছিল বলে খবর সামনে আসে। চিনের কয়েকটি ইউনিভার্সিটি ও চাইনিজ সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) জানায় এই নতুন রকম সোয়াইন ফ্লু ভাইরাল স্ট্রেনের নাম ‘জি৪’ (G4) । পরিচিত এইচ১এন১ (H1N1) সোয়াইন ফ্লু ভাইরাসের স্ট্রেনের মতোই তবে কিছুটা আলাদা। বিজ্ঞানীদের ধারণা, এইচ১এন১ স্ট্রেনই জিনের গঠন বদলে নতুন রূপে ফিরে এসেছে। কানাডায় যে ভাইরাল স্ট্রেনের হদিশ মিলেছে তার জিনের গঠন বিন্যাস এখনও জানা যায়নি। ২০০৫ সালে বিশ্বজুড়ে ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের ২৭ রকম এইচ১এন২ স্ট্রেন ছড়িয়ে পড়ে। তবে কানাডায় এই প্রথম ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়েছে বলেই দাব সে দেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রকের।
সোয়াইন ফ্লু ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস (SIV) বা সোয়াইন-অরিজিন ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস (S-OIV) ভাইরাস হল আসলে ইনফ্লুয়েঞ্জা পরিবারেরই একরকম ভাইরাল স্ট্রেন যার বাহক শুয়োর। ২০০৯ সালে এসআইভি স্ট্রেন ইনফ্লুয়েঞ্জা-সি সংক্রামক হয়ে ছড়িয়ে পড়ে। এরই সাব-টাইপ হল ইনফ্লুয়েঞ্জা-এ যার সংক্রামক স্ট্রেন এইচ১এন১, এইচ১এন২, এইচ২এন১, এইচ৩এন১, এইচ২এন৩ ইত্যাদি।
ইনফ্লুয়েঞ্জার মতোই উপসর্গ দেখা দেয় সোয়াইন ফ্লু হলে। জ্বর, সর্দি, কাশি, শ্বাসকষ্টের মতো উপসর্গ দেখা দেয়। করোনার মতোই মানুষের দেহকোষে এই ভাইরাল স্ট্রেন বিভাজিত হয়ে প্রতিলিপি তৈরি করতে পারে। একাধিকবার বিভাজনের ক্ষমতা আছে এই জি৪ ভাইরাল স্ট্রেনের। বিজ্ঞানীরা পরীক্ষা করে দেখেছেন, এই ভাইরাসের সংক্রমণ হলে তার মোকাবিলায় শরীরে মাত্র ১০.৪ শতাংশ অ্যান্টিবডি তৈরি হয়। শুয়োর থেকে ছড়াতে পারে এই ভাইরাল স্ট্রেন। মনে করা হয়, শুয়োরই এদের বাহক বা হোস্ট। তবে ইন্টারমিডিয়েট রিসেপটর বা মধ্যবর্তী বাহকও থাকতে পারে।