এর আগে এই বৃত্তের অংশ হিসেবে ছিল অগ্নি ব্যালিস্টিক মিসাইল ও ফাইটার বম্বার। তবে জলের তলায় পরমাণু অস্ত্র চালনার জন্য সাবমেরিনের অভাব ছিল। এই সাবমেরিন সেই বৃত্ত সম্পূর্ণ করল। আর এটাই সব চেয়ে গোপন হাতিয়ার হিসেবে গণ্য হবে। কারণ একে চিহ্নিত করা শত্রু পক্ষে বেশ কঠিন। আর ভারত মহাসাগরে যেভাবে চিনের আনাগোনা বাড়ছে, তাতে ভারতকে এই সাবমেরিক ব্যবহার করতেই হবে।
অরিহন্ত সফলভাবে জলপথে চলাচল করতে পারছে কি না, পরমাণু হামলার প্রত্যুত্তর দিতে পারছে কি না এসবই পরীক্ষা করা বাকি ছিল। অবশেষে সেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হল, সোমবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঘোষণা করলেন, আইএনএস অরিহন্তের সফলভাবে ‘ডেটারেন্স পেট্রোল’- সম্পূর্ণ হয়েছে। ভারতীয় জলসীমার ভিতরে এবং আন্তর্জাতিক জলসীমানার নানা অংশ ঘুরে অরিহন্ত ফিরে এসেছে নির্দিষ্ট বন্দরে। এই দীর্ঘ মহড়ায় সমুদ্রের তলা থেকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে প্রতিপক্ষের উপরে পরমাণু হামলা চালানোর মহড়াও অত্যন্ত সফল ভাবে সম্পন্ন করেছে নিউক্লিয়ার সাবমেরিনটি। দেশের তৈরি প্রথম পরমাণু শক্তিচালিত ডুবোজাহাজের এই সফল ‘ডেটারেন্স পেট্রোল’ মহড়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, বলছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক।
https://twitter.com/narendramodi/status/1059362464599433217
দেখে নিন মোদীর টুইট।


