Date : 16th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
বিরাট ঝড়ে লণ্ডভণ্ড লখনউ! রশিখ-ভুবনেশ্বরদের বোলিং দাপটে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে আরসিবি‘লালা প্যাড’ ও ১০ টাকার নোটের কারসাজি! কয়লা পাচারের অভিনব কৌশলে পর্দাফাঁস ইডিরটাইম ম্যাগাজিনের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় তারেক রহমান, কেন তাঁকে বাছল খ্যাতনামা মার্কিন সাময়িকী?West Bengal Election 2026 | ‘ভবানীপুরে কেন শুভেন্দু’, ‘ফাটকা’র ব্যাখ্যায় দিলীপ ঘোষ‘অন্যের ভোট কেউ দিয়ে দেবে, সেটা আর হবে না’, মুখ্যমন্ত্রীর গাড়ি সার্চ নিয়েও মুখ খুললেন সিইওবাংলা নববর্ষের সূচনায় তারেকের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে হাসিনা পুত্রের অভিযোগ, দেশ বিদেশি প্রভুদের দখলেপুলিশ তো বটেই, সরকারি গাড়িতেও এবার তল্লাশি হবে! অবাধ ভোটের লক্ষ্যে নজিরবিহীন নির্দেশিকা এডিজি-রWest Bengal Election 2026 | ভোটের আঁচে ফুটছে মেদিনীপুরকর্নাটকে 'পিরিয়ড লিভ' এবার বাধ্যতামূলক! গোটা রাজ্যেই ১ দিন বেতন-সহ ছুটির নির্দেশ হাইকোর্টের'জয় বাংলা' স্লোগান শুনে মেজাজ হারালেন শুভেন্দু, তেড়ে গেলেন! বালি থানার আইসি-কে হুঁশিয়ারি

কালো চামড়ার জন্য শুনতে হয়েছে খোঁটা, অপমানে পুড়েও হার মানেননি ইন্দিয়া মুর

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ইন্দিয়া মুর, নামটার সঙ্গে পরিচিত অনেকেই । ইন্দিয়ার জীবনের সঙ্গে এদেশের কালো মেয়েদের জীবনের অনেক মিল ! মেয়েদের যদি গায়ের রঙ কালো হয়,সে আমেরিকাই হোক আর ভারত - কথা শোনাতে কেউ ছাড়ে না। কালো মেয়ে যেন সমাজের অভিশাপ! আমেরিকার মতো

কালো চামড়ার জন্য শুনতে হয়েছে খোঁটা, অপমানে পুড়েও হার মানেননি ইন্দিয়া মুর

শেষ আপডেট: 17 October 2020 12:03

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ইন্দিয়া মুর, নামটার সঙ্গে পরিচিত অনেকেই । ইন্দিয়ার জীবনের সঙ্গে এদেশের কালো মেয়েদের জীবনের অনেক মিল ! মেয়েদের যদি গায়ের রঙ কালো হয়,সে আমেরিকাই হোক আর ভারত - কথা শোনাতে কেউ ছাড়ে না। কালো মেয়ে যেন সমাজের অভিশাপ! আমেরিকার মতো প্রথম বিশ্বের দেশও সেই প্রথা ভাঙতে পারেনি। সেখানেও জন্মের পর থেকেই যন্ত্রণায় পুড়তে হয় মুরের মতো বহু মেয়ের জীবন! হারতে শেখেননি মুর। এগিয়ে যাওয়ার পথে গায়ের রঙ কোনও মাপকাঠি হতে পারেনা, তা তিনি প্রমাণ করেছেন নিজের জীবন দিয়ে। বহু বিচ্ছেদ, প্রিয় মানুষদের ছেড়ে যাওয়ার শোক সামলেও নিজের লক্ষ্যে স্থির ছিলেন ইন্দিয়া। ২৫ বছরের এই 'ট্রান্সওম্যান' এই মুহূর্তে আমেরিকার অন্যতম সফল নন-বাইনারি মডেল। যিনি 'টাইম১০০' তালিকাতে রয়েছেন। মুর জানান, " এই তালিকায় নাম থাকা অনেক বড় সম্মানের। এই সম্মানকে সামলে রাখার দায়িত্বও অনেক। আমি এখনও, আমার জীবনের প্রতিটা রহস্যের খোঁজ করছি। আমি ট্রান্সজেন্ডার। আমার বাবা মা নিজেদের ট্রান্সফোবিয়ার কারণে মাত্র ১৪ বছর বয়সে আমাকে ছেড়ে যান। " মুর আরও বলেন, "জীবনে কাজের জন্যে অনেক কিছুর সম্মুখীন হতে হয়েছে। অনেকের সঙ্গে কাজ করার ফলে তৈরি হয়েছে অনেক রকম অভিজ্ঞতা। এই কথাগুলো আমি আমাদের সম্প্রদায়ের জন্য, আমার মতো মানুষদের জন্য বলতে চাই। বিশ্বের দরবারে এই কথাগুলো বলা প্রয়োজন। আমি এখন যে কোনও পরিস্থিতিতে নিজেকে এবং আমার মতো যাঁরা রয়েছেন তাঁদেরকে সাহায্য করতে পারি। " ২০২০ তে মুর এমির 'ড্রামা সিরিজ পোজ'এর জন্যে মনোনীত হন। এখানে মুর 'ব্ল্যাক অ্যান্ড ট্রান্স লিভ ম্যারাট' নিয়ে কথা বলেন। তিনি আবেগের সঙ্গে বলেন, "আজ আমি যখন এই বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলি, তখন নিজের ফেলে আসা দিনগুলোকে দেখতে পাই। সবার কথা শুনে আজও প্রতিনিয়ত শিখি, সাহস পাই। " তবে ভাল থাকতে কে না ভালবাসে! তাই সমস্ত যন্ত্রণাকে দূরে সরিয়ে ভাল থাকার উদ্দেশ্যে বারবার পা বাড়িয়েছেন মুর। মুর জানান যে একটা প্রচলিত ধারণা আছে যে, শুধুমাত্র সাদা চামড়ার পরিবারগুলোই রক্ষণশীল! কিন্তু এটা সত্যি নয়। মুরের নিজের পরিবারও ছিল যথেষ্ট রক্ষণশীল। মুরের বাবা ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্রে প্রবাসী ছিলেন আর মা যিহোবার অনুগামী। ধর্মীয় কারণেও মুর অনেকবার বিপদের সম্মুখীন হয়েছেন। তাঁকে অপরাধী পর্যন্ত বলা হয়েছিল একসময়! সম্প্রতি আমেরিকাতে যে 'ব্ল্যাক লিভস্ ম্যাটার' আন্দোলন হল, তাকে সম্পূর্ণ সমর্থন করেছেন মুর। তাঁর সঙ্গে এটাও বলেছেন, শুধু এইটুকুতে কিছুই হবেনা। কারণ আমেরিকায় কৃষ্ণাঙ্গদের ওপর বহুদিন ধরেই নানারকম অত্যাচার হয়ে চলেছে। তার বিরুদ্ধে বারবার পথে নামতে হবে, যতদিন না পর্যন্ত তাঁরা পুরোপুরি স্বাধীনতা ও সম্মান পাচ্ছেন। মুর ভীষণ আশাবাদী। যেকোনও পরিস্থিতির জন্য এখন তিনি তৈরি। করোনাকালীন মহামারীর মধ্যেও তিনি থেমে থাকেননি। মুরকে থেকে তাঁর লক্ষ্য থেকে সরাতে পারেনি ক্রমবর্ধমান করোনা পরিস্থিতিও । এই সেপ্টেম্বরেই রানওয়েতে হাঁটেন মুর। ক্রমশই পুরোনো ছন্দে ফিরে আসছেন তিনি। তাঁর স্টাইল স্টেটমেন্ট সকলের থেকে আলাদা, যা আজও ক্রিটিকদের চর্চার বিষয়। ২০২১ সালে নিউইয়র্ক ফ্যাশন উইকেও দেখা যাবে মুরকে। নিজের জীবনকে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন পরীক্ষার সামনে মেলে ধরতে ভালবাসেন ইন্দিয়া মুর।  সাফল্যও পান। জীবনে কখনও থেমে থাকতে শেখেননি তিনি। ট্রান্সজেন্ডার সম্প্রদায়ের জন্যে আরও একটু সহানুভূতি, প্রেম, ভালবাসা, সুরক্ষা ও সম্মানের দাবিতে গলা মিলিয়েছেন বারবার। সকলকে আরও বেশি সংবেদনশীল হওয়ার জন্যে অনুরোধ করেছেন।  অনেক কালো মেয়ের জীবনের অনুপ্রেরণা আজ ইন্দিয়া মুর।

```