
শেষ আপডেট: 28 April 2023 06:20
দ্য ওয়াল ব্যুরো: চিন-ভারত সীমান্তের পরিস্থিতি ক্রমে উত্তপ্ত হয়ে ওঠা নিয়ে চিনা প্রতিরক্ষামন্ত্রী লি শাংফুকে কড়া বার্তা দিল ভারত (India Strong Message To China)। গালওয়ানে সেই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর এই প্রথম ভারত সফরে এসেছেন চিনা প্রতিরক্ষামন্ত্রী। গতকাল, বৃহস্পতিবার ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে বসেন তিনি (Defence Ministers Meet)। সেখানেই আলোচনা হয়, দ্বিপাক্ষিক চুক্তির সমস্যা নিয়ে। এই কারণেই দু'দেশের সম্পর্কের ভিত নড়ে গিয়েছে বলে শাংফুকে জানান রাজনাথ।
বস্তুত, গালওযান সংঘর্ষের পর থেকে লাইন অফ অ্যাকচুয়াল কনট্রোলের উপর দুই দেশই সামরিক ভাবে অতিসক্রিয় হয়ে উঠেছে বলে দু'দেশেরই অভিযোগ। এই নিয়েও আলোচনা হয়েছে বৈঠকে। তবে চিনের আগ্রাসী স্বভাব নিয়ে প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে ভারতের তরফে।
আজ, ২৮ এপ্রিল এসসিও বা সাংহাই কর্পোরেশন অর্গানাইজেশনের বৈঠক হওযার কথা। সেখানে যোগ দিতেই আসলে ভারতে এসেছেন চিনা প্রতিরক্ষামন্ত্রী। ওই বৈঠকে ভারত ও চিনের পাশাপাশি রাশিয়া, পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রীরদেরও যোগ দেওয়ার কথা। সেই সম্মেলনের আগেই শাংফুর সঙ্গে ভারতীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রীর আলাদা করে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক আয়োজিত হয়। জানা গেছে, দুই দেশের সীমান্ত থেকে সেনা সরিয়ে নেওয়ার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে দুই মন্ত্রীর মধ্যে।
বৈঠকের পরে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, ভারত ও চিনের সম্পর্ক নির্ভর করছে সীমান্ত পরিস্থিতির উপর, একথা চিনকে জানিয়ে দিয়েছেন ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী। সীমান্তে শান্তি বজায় থাকলেই দুই দেশের সম্পর্কে উন্নতি হওয়া সম্ভব বলে বার্তা দেওয়া হয়েছে তাঁকে। প্রসঙ্গত, গালওয়ানের পর থেকে এই নিয়ে ১৮ বার বৈঠকে বসেও সেনা সরানোর বিষয়ে সহমত হতে পারেনি দুই দেশ। যদিও প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের দাবি, নিয়ন্ত্রণরেখার সমস্যা মেটাতে ভারতের প্রস্তাবে সায় দিয়েছেন চিনা প্রতিরক্ষামন্ত্রীও। তবে সীমান্ত থেকে কবে সেনা সরানো হবে, তা নিয়ে স্পষ্ট কিছুই জানা যায়নি।
অমর্ত্য সেন এবার আদালতে, বিশ্বভারতীর জমি খালি করার নির্দেশে স্থগিতাদেশ চেয়ে মামলা ঠুকলেন