
শেষ আপডেট: 13 July 2023 13:19
দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রাণ বাঁচাতে ভোটের (Panchayat election chaos) আগেই অসমে আশ্রয় নিয়েছিলেন কোচবিহারের (Cooch Behar) এক বিজেপি প্রার্থী সহ প্রায় ১৫০ জন। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই রাজ্যের সাধারণ মানুষের সুরক্ষা নিয়ে উঠেছিল প্রশ্ন। ঘটনার পাঁচদিন পর, বৃহস্পতিবার ঘরছাড়াদের যথাযথ সুরক্ষার আশ্বাস দিয়ে অসম থেকে ফেরাল কোচবিহার পুলিশ।
বস্তুত, পঞ্চায়েত ভোটের আগে থেকেই হিংসা ও অশান্তির ঘটনা লেগেই ছিল কোচবিহারে। শনিবার ভোটের দিন কোচবিহার জেলায় বুথের মধ্যেই খুন হন স্থানীয় এক যুবক। হাড়হিম করা ওই ঘটনায় নতুন করে জেলাবাসীর সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। এরপরই বিজেপি প্রার্থী সহ ১৫০ জনের ঘরছাড়া হওয়ার খবর সামনে আসে। প্রশ্নের মুখে পড়ে জেলা প্রশাসন।
রাজ্যের সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে ইতিমধ্যেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছে কলকাতা হাইকোর্ট। রাজ্যে রয়েছে বিজেপির কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। সক্রিয় হয়েছে বিএসএফও। এমতাবস্থায় নিজেদের মুখ বাঁচাতেই পুলিশ ঘরছাড়াদের অসম থেকে ফিরিয়ে আনতে সক্রিয় হয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ। যদিও পুলিশের দাবি, বিষয়টি তাঁদের জানা ছিল না। খবর পাওয়ার পরই অসম রাজ্যের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁদের ফেরানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়।
জানা গিয়েছে, কোচবিহার লাগোয়া অসমের ঝাপুসাবারির রণপাগলি এমভি স্কুলে রাখা হয়েছিল ঘরছাড়া ওই ১৩৩ জনকে। তাঁদের নিরাপত্তার যাবতীয় বন্দোবস্ত করেন সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা (Himanta Biswa Sarma)। বিষয়টি নিয়ে সে সময় তিনি টুইটও করেছিলেন।
হিমন্ত জানান, “পশ্চিমবঙ্গে পঞ্চায়েত ভোটে সন্ত্রাসের জন্য প্রাণের ভয়ে গতকাল ১৩৩ জন অসমের ধুবরি জেলায় আশ্রয় নিয়েছেন। আমরা তাঁদের ত্রাণশিবিরে রাখার ব্যবস্থা করেছি। খাবার ওষুধ ইত্যাদি দেওয়া হয়েছে।” টুইট করে হিমন্তকে ধন্যবাদ জানানোর পাশাপাশি বাংলার বেলাগাম সন্ত্রাসের প্রতিবাদ জানান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। যদিও কোচবিহারের স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের পাল্টা বক্তব্য, এটা সাজানো ঘটনা। বিজেপি বাংলাকে বদনাম করার জন্য নানা রকম পরিকল্পনা করে চলেছে। এটা তার মধ্যেই একটা।
আরও পড়ুন: ভোটে হিংসা, বুথ দখল, ব্যালট চুরির যে সব ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, তার প্রতিটার ব্যাখ্যা তৈরি করছে নবান্ন