
শেষ আপডেট: 25 August 2023 08:37
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কীভাবে একজন অশিক্ষক কর্মীর (গ্রুপ ডি ও গ্রুপ সি) থেকেও প্যারা টিচাররা (Para Teachers) কম বেতন পান? শুক্রবার এই সংক্রান্ত একটি মামলার শুনানিতে এমন প্রশ্ন তুললেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। অবিলম্বে এবিষয়ে কেন্দ্র, সর্বশিক্ষা মিশন এবং রাজ্যকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি।
প্যারা টিচাররা শিক্ষক হয়েও এত কম বেতন কেন? এই প্রশ্ন তুলে আদালতে দায়ের হয়েছিল মামলা। মামলাকারীদের অভিযোগ, ‘মানুষ গড়ার কারিগর হিসেবে যে শিক্ষক সমাজকে গণ্য করা হয়, সেই শিক্ষক সমাজের মধ্যেও রয়েছে হাজারও বৈষম্য। প্যারা টিচার হওয়ার কারণে তাঁরা অশিক্ষক কর্মীদের থেকেও কম বেতন পান।‘ এমন কথা শুনে এজলাসেই চমকে ওঠেন বিচারপতি।
রাজ্যের আইনজীবীর কাছে বিচারপতি জানতে চান, ‘কেন্দ্র যদি সর্বশিক্ষা মিশনের প্রকল্পে ৬০% টাকা দেয়, তবে অন্য রাজ্যে প্যারা টিচারদের বেতন বেশি হলেও এই রাজ্যে কম কেন?’ আদালতে রাজ্যের যুক্তি, ‘সর্বশিক্ষা মিশনের খাতে কেন্দ্র যে ৬০% টাকা দেয় তা ইতিমধ্যেই কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেই কারণেই বেতনের এই বৈষম্য।’
পাল্টা হিসেবে মামলাকারী আইনজীবীর স্পষ্ট বক্তব্য, ‘কেন্দ্র বরাদ্দ কমালেও, যেই টাকা রাজ্যে আসছে তার মধ্যে থেকেই বেতনে সমতা বজায় রাখতে পারে রাজ্য।’ এরপরই কেন্দ্র, সর্বশিক্ষা মিশন ও রাজ্যকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।
আরও পড়ুন: আলিপুরদুয়ারে ৫০ কোটির দুর্নীতি, সিআইডি তদন্ত বন্ধ করে সিবিআই-ইডিকে দিলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়