Date : 16th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
বিরাট ঝড়ে লণ্ডভণ্ড লখনউ! রশিখ-ভুবনেশ্বরদের বোলিং দাপটে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে আরসিবি‘লালা প্যাড’ ও ১০ টাকার নোটের কারসাজি! কয়লা পাচারের অভিনব কৌশলে পর্দাফাঁস ইডিরটাইম ম্যাগাজিনের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় তারেক রহমান, কেন তাঁকে বাছল খ্যাতনামা মার্কিন সাময়িকী?West Bengal Election 2026 | ‘ভবানীপুরে কেন শুভেন্দু’, ‘ফাটকা’র ব্যাখ্যায় দিলীপ ঘোষ‘অন্যের ভোট কেউ দিয়ে দেবে, সেটা আর হবে না’, মুখ্যমন্ত্রীর গাড়ি সার্চ নিয়েও মুখ খুললেন সিইওবাংলা নববর্ষের সূচনায় তারেকের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে হাসিনা পুত্রের অভিযোগ, দেশ বিদেশি প্রভুদের দখলেপুলিশ তো বটেই, সরকারি গাড়িতেও এবার তল্লাশি হবে! অবাধ ভোটের লক্ষ্যে নজিরবিহীন নির্দেশিকা এডিজি-রWest Bengal Election 2026 | ভোটের আঁচে ফুটছে মেদিনীপুরকর্নাটকে 'পিরিয়ড লিভ' এবার বাধ্যতামূলক! গোটা রাজ্যেই ১ দিন বেতন-সহ ছুটির নির্দেশ হাইকোর্টের'জয় বাংলা' স্লোগান শুনে মেজাজ হারালেন শুভেন্দু, তেড়ে গেলেন! বালি থানার আইসি-কে হুঁশিয়ারি

অবসরের সাতবছর পর ধর্মঘটে অংশ নেওয়ায় শোকজের চিঠি পেলেন হুগলির শিক্ষক

দ্য ওয়াল ব্যুরো, হুগলি: ছত্রিশ বছর চাকরি করার পর ২০১৬ সালে অবসর (retirement) নিয়েছেন কিশোর চট্টোপাধ্যায়। ১০ মার্চ ধর্মঘটের দিন কেন তিনি স্কুলে অনুপস্থিত, সেই কারণ দর্শানোর নোটিশ (show cause letter) দেওয়া হল তাঁকে। ঘটনায় হতবাক কিশোরবাবু, বল

অবসরের সাতবছর পর ধর্মঘটে অংশ নেওয়ায় শোকজের চিঠি পেলেন হুগলির শিক্ষক

শেষ আপডেট: 25 March 2023 06:35

দ্য ওয়াল ব্যুরো, হুগলি: ছত্রিশ বছর চাকরি করার পর ২০১৬ সালে অবসর (retirement) নিয়েছেন কিশোর চট্টোপাধ্যায়। ১০ মার্চ ধর্মঘটের দিন কেন তিনি স্কুলে অনুপস্থিত, সেই কারণ দর্শানোর নোটিশ (show cause letter) দেওয়া হল তাঁকে। ঘটনায় হতবাক কিশোরবাবু, বলছেন, “এসব কী হচ্ছে বলুনতো?”

হুগলির মগড়ার আদি সপ্তগ্রাম হাইস্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক (Hooghly teacher) কিশোর চট্টোপাধ্যায়। ফিজিক্যাল এডুকেশনের শিক্ষক ছিলেন তিনি। ২০১৬ সালে অবসর নিয়েছেন। শুক্রবার স্কুলের সহকর্মীরা তাঁকে ফোন করে জানান তাঁর নামেও এসেছে শোকজের চিঠি। হোয়াটসঅ্যাপে সে চিঠি পাঠিয়েও দেন। আর এতেই হতবাক কিশোরবাবু।

বকেয়া ডিএ, শূন্যপদ পূরণ- সহ কয়েক দফা দাবিতে গত ১০ মার্চ ধর্মঘটের ডাক দিয়েছিল সংগ্রামী যৌথমঞ্চ। সেই ধর্মঘটে সামিল হয়েছিলেন স্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীরা। ধর্মঘটের আগে সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছিল ধর্মঘটের দিন অনুপস্থিত থাকলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে এক দিনের বেতন কাটা যেতে পারে। সার্ভিস ব্রেক পর্যন্ত হতে পারে। সরকারি সেই নির্দেশকে উপেক্ষা করে সেদিন সরকারি বিভিন্ন দফতর ও স্কুলগুলিতে হাজিরা ছিল উল্লেখযোগ্যভাবে কম। যারা সেদিন স্কুলে অনুপস্থিত ছিলেন, মধ্যশিক্ষা পর্ষদ তাঁদের শোকজ করে।

কর্মজীবন শেষ হয়ে গেলেও শোকজের চিঠি থেকে বাঁচতে পারেননি প্রাক্তন শিক্ষক। কিশোরবাবু বলেন, “আমার আগে বা পরে অবসর নিয়েছেন এমন অনেককেই শোকজ করা হয়েছে। স্কুলের একজন করনিক ছিলেন তিনি ২০১৯ সালে মারা গেছেন তাকেও শোকজ করা হয়েছে। কতজন শিক্ষক আছেন, কতজন অবসর নিয়েছেন তার কোনও তথ্যই কি পর্ষদের কাছে নেই?”
এবিটিএ হুগলি জেলা সম্পাদক প্রিয়রঞ্জন ঘটক বলেন, “প্রশাসন যে স্থবির হয়ে গেছে, এই ঘটনা তারই প্রমাণ। কি চলছে বোঝাই যাচ্ছে।”

ছেলে-বউমার চাকরির জন্য ১০ লক্ষ দিয়েছিলেন বিজেপি নেতা, খুইয়ে আদালতের দুয়ারে


```