
শেষ আপডেট: 29 July 2023 08:44
দ্য ওয়াল ব্যুরো, হুগলি: ভিনরাজ্যে পড়তে গিয়ে আর বাড়ি ফেরা হল না হুগলির (Hooghly) শেওড়াফুলির বাসিন্দা সুরম্য সাঁতরার (২১)। হস্টেল (hostel) থেকে জানানো হয়, ছাদ থেকে পড়ে মৃত্যু হয়েছে তাঁর।
শেওড়াফুলির জগবন্ধু মুখার্জি লেনের বাসিন্দা সুশান্ত সাঁতরার ছেলে সুরম্য। ২০২০ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন। ২০২২ সালে বিহারের (Bihar) মুজাফফরপুর রাজেন্দ্রপ্রসাদ এগ্রিকালচার ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হন। সেখানে হস্টেলে থাকতেন সুরম্য। শুক্রবার ভোররাতে ছাত্রের বাড়িতে ফোন আসে। কর্তৃপক্ষ জানান, রাত তিনটে নাগাদ হস্টেলের তিনতলার ছাদ থেকে পড়ে গেছেন সুরম্য। তাকে প্রশান্ত মেমোরিয়াল চ্যারিটেবল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখানেই মৃত্যু হয় তাঁর।
খবর পেয়েই পূর্বা এক্সপ্রেস ধরে বিকালের মধ্যে ছাত্রের বাবা ও কাকা বিহারে পৌঁছে যান। কিন্তু মজফফরপুরের হাসপাতালে পৌঁছানোর আগে পাটনা-কলকাতা রাজ্য সড়কের বক্তিয়ারপুর এলাকায় রাস্তার উপরেই অ্যাম্বুল্যান্সে নিয়ে আসা ওই ছাত্রের নিথর দেহ তাঁর বাড়ির লোকের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
ওই ছাত্রের আত্মীয় তিলকচন্দ্র মুখোপাধ্যায় বলেন, “হাসপাতাল থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূরে রাস্তার উপরেই মৃতদেহ হস্তান্তর করা হয় ময়নাতদন্ত করে। এটাতেই আমাদের সন্দেহ এর মধ্যে রহস্য কিছু আছে। কিছু চাপা দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে লোডশেডিং ছিল। তাই পাঁচ-ছ’জন ছাত্র হস্টেলের ছাদে গিয়েছিল। সেখান থেকেই কোনওভাবে সুরম্য পড়ে যায়। কিন্তু আমাদের মনে হচ্ছে এটা নিছক দুর্ঘটনা নয়। ওকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেওয়া হয়েছে। ঘটনার তদন্ত হোক।”
সুরম্যর বাবা সুশান্ত সাঁতরা বলেন, “ঘটনাস্থলে কয়েকজন সিনিয়র ছাত্র বারবার বোঝানোর চেষ্টা করছিল এটা নিছক দুর্ঘটনা। কলেজ খুব দ্রুত সব রকম ব্যবস্থা নিয়েছে।” বিহার থেকে মৃতদেহ নিয়ে এসে শনিবার শেওড়াফুলির শ্মশান ঘাটে দাহ করা হয়। ঘটনায় পরিবার ছাপিয়ে শোকের ছায়া গোটা এলাকায়।
এসএসকেএমকে নোটিস কলকাতা পুরসভার, ববি-অতীন বললেন, ‘ডেঙ্গি নিয়ে কাউকে রেয়াত নয়’