
শেষ আপডেট: 23 August 2023 08:27
দ্য ওয়াল ব্যুরো, হুগলি: আর কয়েক ঘণ্টা পরেই চাঁদের মাটি ছুঁতে সফট ল্যান্ডিং করবে বিক্রম। গোটা দেশের সঙ্গেই সেই ক্ষণের অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন (Hooghly Family is waiting for chandrayan-3 Landing) ইসরোয় কর্মরত বিজ্ঞানী চন্দ্রকান্ত ও শশিকান্ত কুমারের পরিবার (2 sons are ISRO scientists)।
চন্দ্রযান-২ এর যোগাযোগের অ্যান্টেনার ডিজাইনের দায়িত্ব ছিলেন বছর বিয়াল্লিশের বিজ্ঞানী চন্দ্রকান্ত। বর্তমানে ইসরোয় জয়েন্ট সেক্রেটারি পদে কর্মরত তিনি। তাঁর ভাই শশিকান্তও ইসরোয় মাইক্রোওয়েভ ইঞ্জিনিয়ারিং এর গবেষক। দুই ছেলে ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থায় রয়েছেন। হুগলির গুরাপের খাজুরদহ মাজিনান শিবপুর গ্রামে রয়েছেন তাঁদের মা অসীমা বাবা মধুসূদন কুমার। ছেলেদের উৎকন্ঠা যেন তাঁদেরও ছুঁয়ে গেছে। চন্দ্রযান ৩ চাঁদের পিঠে নামার সরাসরি সম্প্রচার দেখতে টিভিতে চোখ রাখবেন তারা। এই মিশন সফল হোক, গোটা দেশবাসীর সঙ্গে চাইছেন তাঁরাও।
বৃদ্ধ মধুসূদন কুমার চাষের কাজ করেন। ছেলেরা বছরে এক দু’বার আসে। গত জানুয়ারি মাসে গ্রামের বাড়িতে পরিবার নিয়ে এসেছিলেন চন্দ্রকান্ত। প্রতিদিনই ছেলেদের সঙ্গে কথা হয় মধুসূদনবাবুর। মিশন চন্দ্রযান-৩ এ নেই চন্দ্রকান্ত, তবে তাঁদের টিমের পাঠানো চন্দ্রযান-২ এর অরবিটর যা চাঁদের কক্ষপথে রয়েছে, তার সাহায্য নিয়ে ল্যান্ডার বিক্রম অনেক তথ্য পাঠিয়েছে ইসরোয়। “দুই ব্যর্থ হলেও এখনও কাজ করে চলেছে। আর তিন সফল হবেই।” বলছেন শশী-চন্দ্রর মা বাবা।
আরও পড়ুন: আধাসেনায় ভূমিপুত্রের শংসাপত্র যাচাই বাধ্যতামূলক, ভুয়ো নিয়োগ রুখতে নির্দেশ হাইকোর্টের