
কলকাতা হাইকোর্টের জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চ
শেষ আপডেট: 3 July 2024 14:45
দ্য ওয়াল ব্য়ুরো, জলপাইগুড়ি: জোড়া খুনের মামলায় রায় নিয়ে জটিলতা। এক বিচারপতি দোষীকে ১৩ বছরের কারাদণ্ডের পক্ষে মত দিলেও অন্যজন তাকে বেকসুর খালাস দিতে চান। ফলে হাইকোর্টের বিচারপতিদের মতপার্থক্যের মামলা গেল প্রধান বিচারপতির এজলাসে।
হাইকোর্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালের ২৮ ডিসেম্বর কালিম্পং থানা এলাকার তাসিডং গ্রামের বাসিন্দা বাহাদুর হরকা ও তাঁর স্ত্রী বিষ্ণুমায়া ছেত্রী বাড়িতে খুন হন। এই হত্যাকাণ্ডে তদন্ত শুরু করে কালিম্পং থানার পুলিশ। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে কৃষ্ণ প্রধান নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে। কালিম্পং আদালতে মামলা চলতে থাকে। সবদিক খতিয়ে দেখার পরে বিচারক অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করে ফাঁসির সাজা শোনান। কালিম্পং আদালতের সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্ট মামলা দায়ের করেন অভিযুক্তের আইনজীবী অর্জুন চৌধুরী।
গত এপ্রিল মাসে এই মামলার টানা শুনানি চলে। মঙ্গলবার এই মামলার রায়দান পর্ব ছিল কলকাতা হাইকোর্টের জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চের বিচারপতি সৌমেন সেন এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চে। কিন্তু দুই বিচারপতি দুই রকম মতপোষণ করেন।
অভিযুক্তের আইনজীবী অর্জুন চৌধুরী বলেন, "এই মামলার রায়দান করতে গিয়ে বিচারপতি সৌমেন সেন অভিযুক্তর ফাঁসির সাজা রদ করে দিয়ে ১৩ বছরের কারাদণ্ডের পক্ষে মত দিয়েছেন। কিন্তু অপরদিকে বিচারপতি পার্থসারথি সেন সাক্ষ্যপ্রমাণের অভাবে অভিযুক্তকে বেকসুর খালাস দিতে চান।ফলে মামলার রায় নিয়ে জটিলতা দেখা দিয়েছে।"
ঘটনায় সার্কিট বেঞ্চের অ্যাসিস্টেন্ট পাবলিক প্রসিকিউটর অদিতি শঙ্কর চক্রবর্তী বলেন, "এই মামলায় দুই বিচারপতি, দুই রকম মত দিয়েছেন। তাই এই মামলা প্রধান বিচারপতির এজলাসে স্থানান্তর করা হয়েছে।"