দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিজেপির রাজ্য কমিটির সদস্য কৃষ্ণেন্দু মুখোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করে গুলি চালালো দুষ্কৃতীরা। অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেলেন তিনি। গোটা ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে আসানসোলে।
১ জানুয়ারি দলের কাজে কলকাতায় গিয়েছিলেন কৃষ্ণেন্দুবাবু। রবিবার রাত পৌনে ১২টা নাগাদ তিনি বাড়ি ফিরছিলেন। বাড়ির গ্যারাজে গাড়ি ঢোকানোর সময়েই তিন জন দুষ্কৃতী মোটরসাইকেলে চেপে এসে গুলি করে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ। সাদা একটি টয়োটা ইনোভা গাড়িতে বসে ছিলেন কৃষ্ণেন্দু। গাড়িতে গুলি লাগে।
কৃষ্ণেন্দুর অভিযোগ, তৃণমূলের নেতৃত্বেই এই হামলা চালানো হয়েছে। যদিও শাসকদলের বক্তব্য, আসানসোলের বিজেপিতে এখন চারটি গোষ্ঠী। বিজেপির অভ্যন্তরীন কোন্দলের জন্যই এই ঘটনা ঘটেছে।
কৃষ্ণেন্দুবাবু বলেন, “গোটা রাজ্যেই তৃণমূলের নেতৃত্বে বিজেপির উপর হামলা হচ্ছে। আমাদের ১৩৫ জন নেতাকর্মীকে খুন করা হয়েছে। ভগবানের অশেষ কৃপায় আমি এখনও বেঁছে রয়েছি।”
আসানসোলের বিজেপি নেতৃত্ব আরও বলছেন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা সেখানকার সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়র কনভয়ে পরপর দু’দিন উল্টোদিক থেকে এসে গাড়ি ঢুকে পড়েছিল। প্রথম দিন আসানসোল থেকে কলকাতা যাওয়ার পথে কাঁসসায় এবং দ্বিতীয় দিন কলকাতা থেকে মহিষাদল যাওয়ার পথে ধূলাগড়ে। তারপর কৃষ্ণেন্দুর উপর হামলা! সবটা কাকতালীয় নয়। হয়তো বড় ষড়যন্ত্র।”
গেরুয়া শিবিরের নেতাদের বক্তব্য, রবিবার বিকেলেই দুর্গাপুরে সভা করে এক তৃণমূল নেতা বলেছেন, বিজেপির লোকজনকে দেখলেই পেটাতে। তারপর রাতে এই ঘটনা ঘটেছে।
আসানসোলে গুলি চালানোর ঘটনা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। একটি সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, রাজনীতি নিয়ে ওই এই এলাকায় এই ধরনের পরিস্থিতি ছিল না। কিন্তু নতুন করে এসব শুরু হয়েছে।