
শেষ আপডেট: 24 June 2023 12:53
দ্য ওয়াল ব্যুরো, শিলিগুড়ি: বিজেপি গোর্খাল্যান্ড দেবে বলে ঘোষণা করলে তাঁরাও সমস্ত প্রার্থী প্রত্যাহার করে নেবেন। পঞ্চায়েত ভোটের আগে খোলা মঞ্চে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়লেন জিটিএর চিফ এক্সিকিউটিভ অনিত থাপা।
দার্জিলিংয়ের জিমখানা ক্লাবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় জয়ী আসনের প্রার্থীদের সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ভারতীয় গোর্খা প্রজাতান্ত্রিক মোর্চা। সেই সভা থেকে অনিত থাপা এদিন বলেন, “বিজেপি পাহাড়ে আঞ্চলিক দলগুলোর শক্তি নষ্ট করছে। পাহাড়ের স্বার্থে বিমল গুরুং, অজয় এডওয়ার্ড-সহ আঞ্চলিক দলগুলোর এক হওয়া প্রয়োজন। ভারতীয় গোর্খা প্রজাতান্ত্রিক মোর্চা নয়, গোর্খা ও গোর্খাল্যান্ড বিরোধী যদি কেউ থাকে তা হল বিজেপি।” এরপরই তাঁর চ্যালেঞ্জ, “যদি বিজেপি ঘোষণা করে তারা গোর্খাল্যান্ড দেবে। তাহলে আমরা সমস্ত প্রার্থী প্রত্যাহার করে নেব।”

অনিত থাপার এই মন্তব্যের পর পাহাড় জুড়ে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়ে যায়। হামরো পার্টির প্রধান অজয় এডওয়ার্ড বলেন, “অনিত বা ভারতীয় গোর্খা প্রজাতান্ত্রিক মোর্চা যদি তৃণমূলের সঙ্গ ছাড়ে তাহলে তাঁর দলের নেতা কর্মী এমনকি তিনি পর্যন্ত অনিতের দলে যোগ দেবেন।
দার্জিলিং জেলা তৃণমূল কংগ্রসের পাহাড় সভাপতি শান্তা ছেত্রী দাবি করেন, “গোর্খাল্যান্ডের দাবি করে বিজেপি একের পর লোকসভা নির্বাচন জিতেছে পাহাড়ে। স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধানের কথাও বলেছে বিজেপি। কিন্তু তাদের একটি কথাও তারা পূরণ করেনি। উল্টে পাহাড়ের আঞ্চলিক দলগুলোকে কাজে লাগিয়ে তারা নিজেদের নির্বাচন জিতছে।”
দার্জিলিংয়ের সাংসদ রাজু বিস্ট বলেন, “পাহাড় নষ্ট করার পেছনে তৃণমূলের বড় হাত রয়েছে। আরও বড় অবদান রয়েছে জিটিএর চিফ এক্সিকিউটিভ অনিত থাপার। বিজেপির উপর পাহাড়বাসীর একটা আস্থা রয়েছে। গোর্খাল্যান্ডের সমাধান আর যদি কেউ করতে পারে তাহলে সেটা বিজেপিই করতে পারে। কেন্দ্র সরকার এই বিষয়ে ভাবনাচিন্তা করছে৷”
পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে উৎসাহ ছিল প্রথম থেকেই। জিটিএ কর্তার চ্যালেঞ্জের পরেই রাজনৈতিক চাপানউতোরে সরগরম হয়ে উঠেছে পাহাড়।
তৃণমূলের খুন হওয়া নেতার ভাইকে ফোন রাজ্যপালের, ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আশ্বাস বোসের