শেষ আপডেট: 6 December 2019 08:35
বৃহস্পতিবার বিধানসভায় রাজ্যপাল পৌঁছে গেলেও তাঁর জন্য নির্ধারিত ফটক বন্ধই ছিল। ১৮ মিনিট অপেক্ষা করার পর তিনি কর্মীদের ঢোকার ফটক দিয়ে হেঁটে বিধানসভায় ঢোকেন। তার আগে তিনি সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন। তারপরেই রাজ্যপালের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন তৃণমূল কংগ্রেসের মহাসচিব তথা রাজ্যের পরিষদীয় মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়।
গণপ্রহার সংক্রান্ত বিল সই না করা প্রসঙ্গে রাজ্যপাল জানান, পেশ করার আগে তাঁকে দিয়ে যে বিলে সই করানো হয়েছিল, পাস হওয়া বিলের সঙ্গে তার পার্থক্য রয়েছে, তাই তিনি সই করেননি। বিরোধীরা অভিযোগ তুলেছিলেন বিলের মেমো নম্বর নিয়ে। তাতেই কার্যত সিলমোহর দেন রাজ্যপাল। এ দিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও রাজ্যপালের নাম না করেই বলেন, “রাজ্যে সমান্তরাল প্রশাসন চালানো হচ্ছে।” এর প্রেক্ষিতেই রাজ্যপালও জানতে চান, তাঁর কোন আচরণ সংবিধানের পরিপন্থী, সেকথা তাঁকে জানানো হোক।
এই বিল সই প্রসঙ্গে পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “বিধানসভায় যে বিল পাস হয়েছে, রাজ্যপাল হয় তাতে সই করুন, না হয় ফেরত পাঠান। সরকার তখন যা করণীয় তাই করবে। কিন্তু রাজ্যপাল বিল ফেরত না পাঠিয়ে তা ফেলে রেখে দিয়েছেন। সেই কারণে বিধানসভার অধিবেশন দু’দিনের জন্য মুলতুবি করে দেন অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়।”