
শেষ আপডেট: 21 June 2023 18:34
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বুধবার পঞ্চায়েত মামলার শুনানিতে রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহার (Rajiv Sinha) নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রকারান্তরে প্রশ্ন তুলেছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম। প্রধান বিচারপতি তাঁর পর্যবেক্ষণে রাজীব সিনহার উদ্দেশে বলেছিলেন, আপনি না চাপ সামলাতে না পারলে ছেড়ে দিন, রাজ্যপাল (CV Anand Bose) বিকল্প নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ করে দেবেন।
রাতে দেখা গেল, রাজ্য নির্বাচন কমিশনার (West Bengal State Election Commission) পদে রাজীব সিনহার জয়েনিং রিপোর্ট গ্রহণ করলেন না রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। যা বাংলায় কার্যত অভূতপূর্ব সাংবিধানিক সংকট তৈরি করে দিল বলে মনে করছেন অনেকেই। রাজ্য নির্বাচন কমিশনার পদে কাকে নিয়োগ করা হবে তা রাজ্য মন্ত্রিসভার পরামর্শে স্থির করেন রাজ্যপাল। সেভাবেই রাজীব সিনহাকে রাজ্য নির্বাচন কমিশনার পদে নিয়োগপত্র দিয়েছিলেন রাজ্যপাল। দায়িত্ব নিয়ে রাজীব সিনহা রাজ্যপালকে জয়েনিং রিপোর্ট পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু সূত্রের খবর, রাজ্যপাল তা গ্রহণ না করে ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছেন।
গত শনিবার রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহাকে রাজভবনে ডেকেছিলেন রাজ্যপাল। কিন্তু রাজীব চিঠি দিয়ে তাঁর অপারগতার কথা জানিয়েছিলেন। বলেছিলেন, তিনি ব্যস্ত রয়েছেন। সূত্রের খবর, সেই কারণ দেখিয়ে রাজভবন রাজীবের জয়েনিং রিপোর্ট ফিরিয়ে দিয়েছে।
ঘটনা হল, রাজ্য নির্বাচন কমিশনার পদে যোগ দেওয়ার পর রাজ্যপালের তলব পেয়ে রাজীব একবার রাজভবনে গিয়েছিলেন। সেই বৈঠকে রাজ্যপাল তাঁকে কিছু বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন। তার পর রাজ্যপাল কীভাবে জয়েনিং রিপোর্ট ফিরিয়ে দেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠে গিয়েছে।
পঞ্চায়েতে ১০ শতাংশ আসন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতল তৃণমূল, গত ভোটের থেকে ১৩ হাজার কম
অতীতে রাজ্যপাল ও সচিবালয়ের সংঘাত বার বার হয়েছে। কিন্তু বাংলায় এ ধরনের সংকট কখনও হয়নি। কার্যত সাংবিধানিক সংকটের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ, রাজভবনের এই অতিসক্রিয়তা শাসক দল ও সরকার কতটা বরদাস্ত করবে তা নিয়ে ঘোর সংশয় রয়েছে।