
শেষ আপডেট: 19 June 2023 10:41
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পঞ্চায়েত নির্বাচনের মনোনয়ন পর্বের হিংসা নিয়ে কড়া বিবৃতি দিয়েছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। শয়তানের খেলা, জঙ্গলের রাজত্বের মতো শব্দ ব্যবহার করে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন, সরস্বতী পুজোর সন্ধেবেলা হাতেখড়ির পরিস্থিতি অতীত। তারপর সরেজমিনে পরিস্থিতি চাক্ষুষ করতে রাজ্যপাল একদিন ভাঙড় ও একদিন ক্যানিংয়ে গিয়েছিলেন। দেখা যায় রবিবার রাজভবনেই শান্তিকক্ষ খুলে ফেলেছেন তিনি। যেখানে গ্রামবাংলার মানুষ হিংসা, অশান্তি নিয়ে অভিযোগ জানাতে পারবেন। তারপরই তৃণমূল বলতে শুরু করেছে, রাজ্যপাল বেড়ে খেলার চেষ্টা করছেন। এ হেন প্রেক্ষাপটে সোমবার রাজ্যপাল স্পষ্ট বলে দিলেন, বাংলায় যেমন পরিস্থিতি, তেমনই অ্যাকশন হচ্ছে।
এদিন রাজ্যপালকে শান্তিকক্ষ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘বাংলায় অভূতপূর্ব পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। সেই পরিস্থিতিই এই পদক্ষেপকে ডেকে এনেছে। পরিস্থিতি যেমন হবে, অ্যাকশনও সেইরকমই হবে।’
সাংবাদিকরা রাজ্যপালের উদ্দেশে প্রশ্ন রাখেন, বাংলার শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস বলেছে, রাজভবন থেকে সমান্তরাল প্রশাসন চালানোর চেষ্টা করছেন রাজ্যপাল। এই প্রশ্নের জবাব না দিয়ে রাজ্যপাল পাল্টা সাংবাদিকদের বলেন, ‘আর কারও কোনও প্রশ্ন আছে?’ অনেকের মতে, রাজ্যপাল এদিন বুঝিয়ে দিতে চেয়েছেন, শাসকদল কী বলল তাতে কিছু যায় আসে না।
সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে এদিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা সম্পর্কে তাঁর পর্যবেক্ষণ কী—সেই প্রশ্নও করা হয়েছিল আনন্দ বোসকে। জবাবে তিনি বলেন, ‘সরকারের কাজ মুখ্যমন্ত্রী দেখবেন। সাংবিধানিক বিষয় আমার দেখার কাজ। এর বাইরে থাকে রাজনীতির ব্যকরণ, ও নিয়ে আমি কিছু বলব না।’
রাজ্যপাল এদিন আরও বলেন, ‘শান্তি ও সম্প্রীতি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। রাজভবন যে কাজ করছে তা হল জনগণের মননে আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠার কাজ। শাসক ও শাসনের মধ্যে সেতুবন্ধন করিয়ে দেওয়ার কাজ করা হচ্ছে। শান্তিশৃঙ্খলা বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকেও মনোযোগ দিতে হবে।’ তাঁর কথায়, ‘রাজ্যপালের সচিবালয় সবার জন্য অবারিত। এখানে কেউ আলাদা নন।’
তৃণমূলের পঞ্চায়েত-টিকিট বিক্রির অভিযোগ বলাগড়ে, মনোরঞ্জনের দাবি ব্লক সভাপতিই চোর