জাওয়াদে প্রবল জলোচ্ছ্বাস, গোসাবায় ঠেকানো গেল না নদীবাঁধ
দ্য ওয়াল ব্যুরো: একদিকে জাওয়াদ, অন্যদিকে অমাবস্যার ভরা কোটাল। দুইয়ের জাঁতাকলে পড়ে নদীবাঁধ ভাঙল সুন্দরবন এলাকায়। তবে ক্ষয়ক্ষতি বাড়ার আগেই দ্রুততার সঙ্গে বাঁধ মেরামতির কাজ শুরু করেছে কুমিরমারি গ্রাম পঞ্চায়েত।
শনিবার রাতেই ভাঙতে শুরু করে
শেষ আপডেট: 5 December 2021 13:47
দ্য ওয়াল ব্যুরো: একদিকে জাওয়াদ, অন্যদিকে অমাবস্যার ভরা কোটাল। দুইয়ের জাঁতাকলে পড়ে নদীবাঁধ ভাঙল সুন্দরবন এলাকায়। তবে ক্ষয়ক্ষতি বাড়ার আগেই দ্রুততার সঙ্গে বাঁধ মেরামতির কাজ শুরু করেছে কুমিরমারি গ্রাম পঞ্চায়েত।
শনিবার রাতেই ভাঙতে শুরু করেছিল কোরানখালি নদীবাঁধ। গ্রামবাসীদের তৎপরতায় তা আটকানো গেলেও, রবিবার সকালে নদীর জলোচ্ছ্বাস এতটাই বাড়ে যে মাটির বাঁধ আর রক্ষা করা যায়না। বাঁধ ভেঙে গ্রামের মধ্যে জল ঢুকে পড়ে এলাকা প্লাবিত হয়। আতঙ্কিত হয়ে পড়েন স্থানীয়রা।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সঠিক পদ্ধতিতে নদী বাঁধ সংস্কার কিংবা নতুন কোন বাঁধ নির্মাণ না হওয়ায় ২০০৯ এর আয়লা পরবর্তী সময় থেকেই আতঙ্কিত হয়ে দিন কাটাতে হচ্ছে।

এদিকে বাঁধের দুটি জায়গা মিলিয়ে প্রায় ২৫ মিটার অংশ ভেঙে গিয়েছে। স্থানীয় কুমিরমারি পঞ্চায়েত প্রধান দেবাশিস মণ্ডলের তৎপরতায় তড়িঘড়ি ভাঙা মাটির বাঁধ মেরামতি করতে জেসিবি নামানো হয়।
ঘটনাস্থলে সরজমিনে খতিয়ে দেখতে আসেন গোসাবার বিধায়ক সুব্রত মণ্ডল ও বিডিও বিশ্বনাথ চৌধুরী।
স্থানীয় কুমিরমারি পঞ্চায়েত প্রধান দেবাশিস মণ্ডল বলেন, আয়লার পর ইয়াসের তান্ডবেও নদীবাঁধ ভেঙে গিয়েছিল। প্রশাসনের একধিক কর্তাব্যক্তিদের জানানো সত্ত্বেও কেউ কোনও উদ্যোগ নেননি।
তবে এবার জাওয়াদের রোষের মুখে বাঁধে চিড় ধরতেই তড়িঘড়ি মেরামতির কাজ শুরু হল। কিন্তু মাটির বাঁধ টিকবে কদিন আর! স্থায়ী পাকা বাঁধের বন্দোবস্ত নাহলে আশঙ্কা থেকেই যাবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।