Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তান

সার সার মৃতদেহ নিয়ে সমুদ্রের বুকে ভেসে বেড়াচ্ছে ভূতুড়ে জাহাজ

দ্য ওয়াল ম্যাগাজিন ব্যুরো: দিনটা ছিল ১৭৭৫ সালের ১১ অক্টোবর। উত্তর আটলান্টিকের টেম্পারেচার ঘুরছে মাইনাস ১৬ ডিগ্রির আশেপাশে। সেই কনকনে জমাট ঠান্ডায় গ্রিনল্যান্ডের সাগরে তিমি শিকার করতে গেছে হেরাল্ড নামে এক জাহাজ। গ্রীনল্যান্ডে এই শীতকালের আব

সার সার মৃতদেহ নিয়ে সমুদ্রের বুকে ভেসে বেড়াচ্ছে ভূতুড়ে জাহাজ

শেষ আপডেট: 2 August 2022 16:44

দ্য ওয়াল ম্যাগাজিন ব্যুরো: দিনটা ছিল ১৭৭৫ সালের ১১ অক্টোবর। উত্তর আটলান্টিকের টেম্পারেচার ঘুরছে মাইনাস ১৬ ডিগ্রির আশেপাশে। সেই কনকনে জমাট ঠান্ডায় গ্রিনল্যান্ডের সাগরে তিমি শিকার করতে গেছে হেরাল্ড নামে এক জাহাজ। গ্রীনল্যান্ডে এই শীতকালের আবহাওয়া বড্ড খামখেয়ালি। ঠান্ডায় জলের ওপরের আস্তরণ পর্যন্ত জমে বরফ হয়ে গেছে। তার উপর দমবন্ধ করা ঘন কুয়াশা চারদিক। কাছাকাছি এক মিটার দূরত্বেও দেখা যাচ্ছে না কিছু। হঠাৎ করেই কেঁপে ওঠে হেরাল্ড। জলের বুকে আচমকা শক্ত কিছুর সঙ্গে ধাক্কা লাগলে যেমন হয়, কতকটা সেরকম এই কাঁপুনি।

নাবিকেরা প্রথমে ভেবেছিল সমুদ্রের নীচে জমে থাকা ছোটোখাটো কোনো হিমশৈলর সাথে ধাক্কা লেগেছে হয়তো। তাই অতটা তোয়াক্কা না করে সামান্য পাশ কাটিয়ে জাহাজকে এগিয়ে নিয়ে যাবার চেষ্টা করে। কিন্তু এবারও ধাক্কা। সামনে যেন পথরোধ করে আছে বিশাল কিছু। এবার কপালে ভাঁজ পরে নাবিকদের। তাহলে কি কোনও বড় হিমশৈলের সাথে ধাক্কা লাগল জাহাজের? পরিস্থিতি সরোজমিনে দেখতে ততক্ষণে ডেকের বাইরে বেরিয়ে এসেছে সবাই। ঘন কুয়াশায় দৃষ্টি চলে না। তারই মাঝে আবছা অন্ধকারে ঠাহর করে নাবিকেরা বুঝলেন হিমশৈল নয়, তাদের জাহাজের পথরোধ করে দাঁড়িয়ে আছে আরেকটা মস্ত জাহাজ। (Ghost Ship)

এবারে বেশ আশ্চর্য হলেন নাবিকেরা। এত বড়ো জাহাজ এ পথে আসে না সচরাচর। এ রাস্তা যাত্রীবাহী বা মালবাহী বড়ো জাহাজ যাওয়ার জন্য খুবই বিপদসংকুল। ঘন কুয়াশায় এমন তীব্র ঠান্ডায় এখানে এত বড় জাহাজ কী করছে? ভেসে থাকা জাহাজের ভেতরটা একেবারে নিঝুম অন্ধকার। আলো নেই। মাঝিমাল্লাদের সাড়াশব্দ অবধি নেই। কেমন একটা অস্বাভাবিক নিঃশব্দ প্রেতের মতো ঘিরে আছে জাহাজটাকে। (Ghost Ship)

হেরাল্ডের নাবিকেরা সকলেই কমবেশি অভিজ্ঞ। বিপদের একটা আঁচ পেয়ে তারা তক্ষুনি খবর দেয় ক্যাপ্টেনকে।ক্যাপ্টেনের নির্দেশ অনুযায়ী ঘন কুয়াশার মধ্যে বড় বড় টর্চের আলো ফেলা হয় আগন্তুক জাহাজের গায়ে। এ কী জাহাজ? না জাহাজের কঙ্কাল? মনে হল বহু বছর ধরে অদ্ভুত এক নিঃসঙ্গতা নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে জাহাজটা। আঁতিপাঁতি খুঁজেও কোথাও প্রাণের স্পন্দন চোখে পড়ল না। কেউ কি নেই জাহাজে? বেশ খানিকক্ষণ চিৎকার করে ডাকাডাকির চেষ্টা করে হার মানল হেরাল্ডের নাবিকেরা। কোনও প্রত্যুত্তর, এমনকি কোনও আর্তনাদও ভেসে এল না উল্টোদিকের জাহাজ থেকে। এবারে কপালে ভাঁজ পড়ল ক্যাপ্টেনের। মানুষজনের নড়াচড়ার শব্দটুকুওও নেই। আবছা অন্ধকারে একটা হাড়কঙ্কালসার ভূতুড়ে অস্তিত্ব যেন ভেসে আছে জলের উপরে। তাহলে কি বড়সড় কোনও বিপদ হয়েছে এই জাহাজের ভিতরে লোকেদের? নাবিকদের ডেকে কথা বললেন ক্যাপ্টেন। সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হল জাহাজের ভেতরে ঢু্কে দেখবে তারা।

জাহাজ নয়, যেন একটা হাড়কঙ্কালসার ভূতুড়ে অস্তিত্ব

হেরাল্ডের পেট থেকে নামানো হল কাঠের তৈরি ছোট ছোট পাটাতন। প্রচন্ড ঠান্ডা উপেক্ষা করেও সেই পাটাতন ধরে কয়েকজন অভিজ্ঞ নাবিক এগিয়ে চলল বরফজলে ভেসে থাকা সেই রহস্যময় জাহাজের দিকে। জাহাজের আরও কিছুটা কাছে যেতেই ঘন কুয়াশায় টর্চের আলোয় চোখে পড়ল জাহাজের গায়ে খোদাই করা কয়েকটা অক্ষর। বেশ কষ্ট করেই পড়তে হল, প্রায় বিবর্ণ হয়ে যাওয়া একটা নাম… 'অক্টাভিয়াস'। (Ghost Ship Octavious)

দূর থেকে জাহাজটাকে যতটা ক্ষতিগ্রস্থ মনে হচ্ছিল কাছে এসে বোঝা গেল ক্ষতির পরিমাণ তার থেকে অনেক অনেক বেশি। মাস্তুলের একটা দিক ভেঙে পড়ে গেছে। জাহাজের পালগুলো শতচ্ছিন্ন হয়ে লেপ্টে আছে সেই ভাঙা মাস্তুলের গায়ে। পুরো জাহাজ জুড়ে বরফের আস্তরণ। একজন কর্মীরও আনাগোনা চোখে পড়ছে না জাহাজের ডেকে। একটা অজানা আশঙ্কা মনের ভেতর দানা বাঁধতে লাগল। শীতের কারণে হয়তো সবাই ভেতরে আছে, বা অসুস্থ হয়ে পড়েছে সাড়া দিতে পারছে না- এইসব ভেবে মনের সমস্ত কু-ডাক সরিয়ে দলটি এগিয়ে চলল অক্টাভিয়াসের দিকে। (Ghost Ship Octavious)

ডেকের কাছাকাছি যেতেই অভিজ্ঞ নাবিকেরা বুঝতে পারলেন, জাহাজে কোনও বড় ধরনের সমস্যা রয়েছে। এই জাহাজ ভেসে বেড়াচ্ছে কী করে? সেটা ভেবেই অবাক লাগে তাদের। কিন্তু হতবাক হওয়ার তখনও ঢের বাকি। অনেক ডাকাডাকি করে এবারও কারও সাড়াশব্দ না পেয়ে হ্যাচ ভেঙে জাহাজের সিঁড়ি বেয়ে ভেতরে নেমে যায় দলটি। খুঁজেপেতে অক্টাভিয়াসের নাবিকদের কোয়ার্টারে যেতেই শরীরের মধ্যে দিয়ে ঠান্ডা স্রোত বয়ে যায় উদ্ধারকারী দলের। ঘরের চারপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে আছে জাহাজের নাবিকেরা। কারও শরীরে প্রাণের স্পন্দনটুকুও নেই। যেন অনেককাল আগেই ঠান্ডায় জমে মারা গেছেন সবাই। মৃতদেহগুলোর শরীরের উপরে ঘন বরফের চাদর। দেখে মনে হবে কোনও কাজ করতে করতে হঠাৎ করেই যেন মন্ত্রবলে জমে বরফ হয়ে গেছে তারা। জাদুঘরে রাখা মোমের পুতুলের মতো নিঃসাড় দেহগুলো পড়ে আছে ভূতুড়ে এই জাহাজে। (Ghost Ship Octavious)

ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে আছে নাবিকদের মৃতদেহ

ভয় আর বিস্ময় সামলে হেরাল্ডের নাবিকেরা এর পর পৌঁছন ক্যাপ্টেনের কেবিনে। সেখানের দৃশ্য আরো ভয়ংকর। যেন নিজের চোখকে বিশ্বাস করা মুশকিল। নিজের কাজ করার ডেস্কে বসে আছেন ক্যাপ্টেন। টেবিলের ওপর লগবুক খোলা। আর ক্যাপ্টেনের হাতে ধরা রয়েছে পেন। টেবিলের ওপর কালির দোয়াত আর দৈনন্দিন ব্যবহার্য জিনিসগুলো এমনভাবে পড়ে আছে, যেন কিছুক্ষণ আগেই ব্যবহার করছিলেন ক্যাপ্টেন। ঘরের অপরপ্রান্তে গায়ে কম্বল জড়িয়ে শুয়ে রয়েছেন ক্যাপ্টেনের স্ত্রী আর ছেলে। ঠান্ডা থেকে বাঁচতে যেন চুপ করে কম্বলের ভেতরে আশ্রয় নিয়েছেন তাঁরা। প্রত্যেকের শরীর, এমনকি চোখের মণি অবধি জমে পাথর হয়ে গেছে।

এ দৃশ্য দেখার পর এক অজানা আতঙ্কে প্রায় পাগল হয়ে যায় উদ্ধারকারী নাবিকেরা। স্থির করেন এখানে আর একমুহূর্তও না। নিজেদের জাহাজে ফিরে গিয়ে তক্ষুনি খবর দেবেন ক্যাপ্টেনকে। যত দ্রুত সম্ভব বন্দর থেকে উদ্ধারকারী দল এনে ব্যাপারটার তদন্ত করা দরকার। জাহাজে ফেরার সময় মৃত ক্যাপ্টেনের লগবুকটা সঙ্গে নিয়ে নেয় উদ্ধারকারী দলটির সদস্যেরা। কিন্তু যাওয়ার সময় আচমকা এক হিমশীতম হাওয়ায় লগবুকের ভিতরের পাতাগুলো খসে সমুদ্রের জলে পড়ে যায়। বেশিরভাগ পাতা হারিয়ে গেলেও প্রথম আর শেষের যে ক’‌টি পাতা অবশিষ্ট ছিল তাই সযত্নে সামলে নিয়ে আসে হেরাল্ডের নাবিকেরা, তুলে দেয় তাদের জাহাজের ক্যাপ্টেনের হাতে। কী লেখা ছিল সেই রহস্যময় লগবুকে? সে লেখা পড়ে কি সত্যিই আঁচ করা গেছিল সেই ভৌতিক জাহাজ অক্টাভিয়াসের রহস্য?

লগবুকে অক্টাভিয়াসের ক্যাপ্টেন ১৭৬১ সালে তাঁদের যাত্রাশুরুর কথা উল্লেখ করেছেন যত্ন সহকারে। লগবুক অনুযায়ী পালতোলা বড় জাহাজ অক্টাভিয়াস লন্ডনের বন্দর ছেড়ে জলে নেমেছিল ১৭৬১ সালের ডিসেম্বর মাসে। পূর্ণ লোকবলসম্পন্ন জাহাজটি বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে প্রচুর পণ্যসামগ্রী নিয়ে লণ্ডন থেকে রওনা দিয়েছিল চিনের উদ্দেশ্যে। জাহাজে ছিল ২৮ জন নাবিক, জাহাজের ক্যাপ্টেন, তাঁর স্ত্রী আর সন্তান। কোনও রকম গোলযোগ ছাড়াই নির্ধারিত সময়ে চিনে পৌঁছে যান তারা। পণ্য বন্দরে নামিয়ে সব কাজও সম্পন্ন হয় ভালোভাবে। মাঝের বেশ কিছু পাতা না থাকায় পরের ঘটনার ক্রমউল্লেখ মেলে না। তবে এটা স্পষ্ট যে ফেরার সময় ক্যাপ্টেন অক্টাভিয়াসকে নর্থ-ওয়েস্ট প্যাসেজ ধরে নিয়ে যাবার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু কেন এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি তার কোনো হদিশ পাওয়া যায় না। একজন অভিজ্ঞ ক্যাপ্টেন হিসেবে তিনি কি জানতেন না নর্থ-ওয়েস্টের ওই প্যাসেজ বড়ো জাহাজ চলাচলের জন্য একেবারেই অনুকুল নয়? ডিসেম্বর মাসে সেখানে তাপমাত্রা হিমাংকের অনেক অনেক নীচে থাকে। এতটাই ঠান্ডা যে সাগরের জল শক্ত বরফ হয়ে জমে থাকে। সব জেনেও তিনি কেন ওই পথে ঢুকলেন? কিসের তাড়নায়?

হেরাল্ডের ক্যাপ্টেনের মত অনুসারে, সম্ভবত শর্টকাট করার জন্য ওই রাস্তা ধরেছিলেন অক্টাভিয়াসের মৃত ক্যাপ্টেন। ১৭৬২ সালে ডায়েরির শেষ এন্ট্রিতে উল্লেখ করা ছিল জাহাজের অবস্থান 75 N 160 W, যার মানে সেই সময় আলাস্কা থেকে ২৫০ মাইল উত্তরে অবস্থান করছিল অক্টাভিয়াস। তারপর আর কোনও এন্ট্রি নেই। ঠিক কী হয়েছিল অক্টাভিয়াসের সঙ্গে জানা যায় না সেটাও।

একটা জাহাজের সবার এক সঙ্গে কয়েক মুহূর্তের মধ্যে জমে যাওয়া সত্যিই রহস্যজনক। কেউ কেউ মনে করেন, অক্টাভিয়াস আলাস্কার যে অঞ্চলে প্রবেশ করেছিল (ক্যাপ্টেনের লগবুকের শেষ এন্ট্রি অনুযায়ী) সেখানকার শীতল আবহাওয়ার সঙ্গে যুদ্ধ করার পূর্ব প্রস্তুতি না থাকায় জাহাজের সবাই প্রবল শীতে একইসঙ্গে জমে মারা যায়। এ ব্যাখ্যা অংশত গ্রহণযোগ্য বটে, তবু অস্বাভাবিকতা একটা থেকেই যায়। ঘটনার পর দীর্ঘ ১৩ বছর কেটে গেছে। ওই অঞ্চল দিয়ে ছোটো ছোটো অনেক জাহাজ যাওয়া আসা করেছে। কিন্তু অক্টাভিয়াসকে আর কেউ দেখতে পায়নি। তাহলে কি অক্টাভিয়াসের সত্যি কোনও অস্তিত্ব ছিল না? তাহলে কি হেরাল্ডের নাবিকেরা যা দেখেছিল সবটাই ভুল? যদি তাই হয়ে থাকে, তাহলে জাহাজের লগ বুক তাদের হাতে এলো কি করে? এর কোনো সদুত্তর মেলেনি। মজার ব্যপার হলো ঘটনার সময় যেহেতু অনেক পুরোনো তাই সেই সময় হেরাল্ডের নাবিকদের কাছে পুরো ব্যাপারটা অভিশপ্ত বলেই মনে হয়। হওয়ার ই কথা।১৩ বছর আগে মারা যাওয়া নাবিক আর ক্যাপ্টেন নিয়ে একটা জাহাজ ভেসে বেড়াচ্ছে।ভয়ে তাই ওই জায়গায় তারা আর বেশিক্ষন দাঁড়ায়নি জাহাজ হেরল্ড।এক অজানা আতংক তাদের ধীরে ধীরে গ্রাস করছিলো। তাই অক্টাভিয়াসকে নিজের মতো ভাসতে দিয়ে হেরাল্ড পুনরায় যাত্রা করে।ফিরে গিয়ে এই ভৌতিক জাহাজের কথা কতৃপক্ষকে জানায় হেরল্ডের ক্যাপ্টেন।নড়েচড়ে বসে জাহাজ কর্তৃপক্ষ। খোঁজ নিয়ে জানা যায় ১৩ বছর আগে সত্যিই অক্টাভিয়াস নামে এক জাহাজ রওনা হয়েছিল লন্ডন থেকে।কিন্তু তার ফেরার কোন খোঁজ আর পাওয়া যায়নি।জায়াগাটি চিহ্নিত করে তড়িঘড়ি পাঠানো হয় উদ্ধারকারী দলকে।কিন্তু আশ্চর্যের ব্যপার ওখানে আর জাহাজটিকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। সেই সময় প্রযুক্তি এতো উন্নত না থাকায় জাহাজটির ঠিক কি হয়েছিল তা আর জানা যায়না। হয়তো ২৫০ বছর পর আজও মৃতদেহ নিয়ে ভেসে চলেছে সেই জাহাজ।পেন হাতে ধরে ক্যাপ্টেন তার লগবুকে লিখে রাখতে চাইছে সমস্ত ইতিহাস।


```