বিমান সফর নিয়ে গাইডলাইন রাজ্য সরকারের, বৃহস্পতিবার বাংলায় চালু হচ্ছে উড়ান
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সোমবার গোটা দেশে চালু হয়েছে ঘরোয়া বিমানের উড়ান। বাকি রয়েছে তিন রাজ্য। পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা ও অন্ধ্রপ্রদেশ। এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে শুরু হচ্ছে ২৮ মে বৃহস্পতিবার। এই রাজ্যে ঘূর্ণঝড় উমফানের ফলে বিপর্যয় মোকাবিলা চলায় রাজ্য সরকার
শেষ আপডেট: 25 May 2020 18:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সোমবার গোটা দেশে চালু হয়েছে ঘরোয়া বিমানের উড়ান। বাকি রয়েছে তিন রাজ্য। পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা ও অন্ধ্রপ্রদেশ। এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে শুরু হচ্ছে ২৮ মে বৃহস্পতিবার। এই রাজ্যে ঘূর্ণঝড় উমফানের ফলে বিপর্যয় মোকাবিলা চলায় রাজ্য সরকার চেয়েছিল গোটা দেশের সঙ্গে বিমান চলাচল শুরু না করে কয়েকটা দিন সময় দেওয়া হোক। সেই মতো অসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রক রাজ্যে উড়ান শুরু তিন দিন পিছিয়ে দেয়।
রাজ্যে করোনাভাইরাস সংক্রমণ চলছেই। এরই মধ্যে বিমান চলাচল শুরু হওয়া নিয়ে রীতিমতো চিন্তায় রয়েছে রাজ্য সরকার। তাই বৃহস্পতিবার থেকে এই রাজ্যের বিমানবন্দর যাঁরা ব্যবহার করবেন তাঁদের জন্য কিছু গাইডলাইন ঠিক করেছে রাজ্য সরকার।
১। ঘরোয়া বিমানে যাঁরা বৃহস্পতিবার থেকে রাজ্যে ঢুকবেন সেই সব যাত্রীদের একটি সেলফ ডিক্লারেশন দিতে হবে যে, গত দু'মাসের মধ্যে তিনি কোভিড-১৯ আক্রান্ত হননি।
২। প্রত্যেক যাত্রীকেই বিমানবন্দরে স্ক্রিনিং করা হবে। সেখানে কারও শরীরে করোনাভাইরাস সংক্রমণের উপসর্গ দেখা দিলে তিনি বিমানে উঠতে পারবেন না।
আরও পড়ুন
৩। বিমানে রাজ্যে আসা যাত্রীদের সকলেরও শারীরিক পরীক্ষা হবে। উপসর্গ না থাকা যাত্রীদের বাড়িতে ফিরেও ১৪ দিনের নজরদারির মধ্যে থাকতে হবে। যদি কোনও রকম উপসর্গ দেখা দেয় তবে স্থানীয় মেডিক্যাল অফিসার অথবা রাজ্যের কল সেন্টারে (1800 313 444 222/033-23412600,2357 3636/1083/1085) ফোন করে জানাতে হবে।
৪। কোনও যাত্রীর শরীরে করোনাভাইরাস সংক্রমণের উপসর্গ দেখা গেলে সেখান থেকেই লালারস পরীক্ষার জন্য নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হবে।
৫। কোনও যাত্রীর উপসর্গ যদি মারাত্মক হয়, তবে চিহ্নিত কোভিড-১৯ হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা করা হবে।
৬। বিমানবন্দরে নিয়মিত স্যানিটাইজেশনের ব্যবস্থা রাখতে হবে। বারবার গোটা চত্বর ডিসইনফেকশন করতে হবে। বিমানবন্দরে পর্যাপ্ত পরিমাণে স্যানিটাইজার রাখতে হবে।
৭। সামাজিক দূরত্ব রক্ষার জন্য বিমানবন্দরে পর্যাপ্ত প্রচার করতে হবে।
৮। বিমানবন্দর এবং বিমানের ভিতরে সব যাত্রীকে মাস্ক পরতে হবে এবং সামাজিক দূরত্ব রক্ষা করতে হবে। সেই সঙ্গে মেনে চলতে হবে হাত পরিষ্কার রাখার নিয়ম।