
শেষ আপডেট: 11 September 2023 14:12
দ্য ওয়াল ব্যুরো, পুরুলিয়া: গত ৬ সেপ্টেম্বর রাতারাতি তৃণমূলের পতাকা হাতে তুলে নিয়েছিলেন তাঁরা। যে কারণে রাতারাতি পুরুলিয়ার ঝালদা পুরসভা (Jhalda Municipality) হাতছাড়া হয়েছিল কংগ্রেসের। ঘটনার পর থেকেই খোঁজ মিলছিল না কংগ্রেস কাউন্সিলর বিজয় কান্দু, মিঠুন কান্দু (নিহত তপন কান্দুর ভাইপো), পিন্টু চন্দ্র ও সোমনাথ কর্মকারের। অবশেষে ঘটনার চারদিন পর নিহত তপন কান্দুর ভাইপো মিঠুন বাদে বাকিদের দেখা মিলল।
যদিও সদ্য দলবদল করা কাউন্সিলর মিঠুন কান্দু, বিজয় কান্দুদের দাবি, “কংগ্রেসে থেকে কাজ করতে পারছিলাম না, তাই উন্নয়নের স্বার্থেই তৃণমূলে যোগদান।” দলবদলের পর নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার অভিযোগ অবশ্য মানতে চাননি তাঁরা। মিঠুন বলেন, “ছুটি কাটাতে বোনের বাড়ি গিয়েছিলাম।” আর বিজয়ের দাবি, “দল বেঁধে বেপাত্তা হওয়ার অভিযোগ ঠিক নয়। ব্যক্তিগত কারণে বাইরে গিয়েছিলাম।”
গত পুরনির্বাচনে ঝালদা পুরসভার ১২টি আসনের মধ্যে কংগ্রেস এবং তৃণমূল পাঁচটি করে আসনে জয়ী হয়েছিল। দু’টি আসনে জয়ী হয়েছিলেন নির্দল প্রার্থীরা। বোর্ড গঠনের আগেই কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন কান্দু খুন হয়েছিলেন। পুরবোর্ড গঠনের দিন তৃণমূলের পাঁচ কাউন্সিলরের সঙ্গে ছিলেন নির্দল হিসাবে জেতা দুই কাউন্সিলর। তাঁরাও সেদিন তৃণমূলের প্রার্থী সুরেশ আগরওয়ালকে সমর্থন করেছিলেন। তপন কান্দুর শূন্য আসনে উপনির্বাচনে জয়ী হন তপন কান্দুর ভাইপো মিঠুন কান্দু।
এরপরই নির্দল দুই কাউন্সিলরকে সঙ্গী করে তৃণমূলের বোর্ডের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনেন কংগ্রেসের কাউন্সিলররা। হাইকোর্টের তত্ত্বাবধানে নভেম্বরে পুরসভার দখল নেয় কংগ্রেস। তারপর থেকেই উন্নয়নের অর্থ বন্ধ রাখার অভিযোগ উঠেছে রাজ্যের বিরুদ্ধে। ওই বিষয়ে সম্প্রতি রাজ্যের বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হল কংগ্রেস পরিচালিত ঝালদা পুরসভা। তবে দলের কাউন্সিলররাই দল বদল করায় ঝালদা পুরসভা হাতছাড়া হয়েছে কংগ্রেসের।
আরও পড়ুন: ভরদুপুরে কলকাতায় স্কুলের সামনে থেকে ছাত্রকে অপহরণের অভিযোগ, মারধর সহপাঠীদেরও