অ্যাজমায় কষ্ট পাচ্ছে সন্তান? খেয়াল রাখুন এই দিকগুলো
দ্য ওয়াল ব্যুরো: হাঁপানি বা অ্যাজমা খুব চেনা অসুখ। প্রতিনিয়ত বাড়ছে এই সমস্যা। দেখা গেছে, প্রতি ১০ জন শিশুর মধ্যে ২-৩ জনেরই অ্যাজমা থাকে ইদানীং। এই অসুখ থেকে একেবারে মুক্তি সম্ভব নয়। তবে কয়েকটি পরামর্শ মেনে চললে এই রোগকে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়
শেষ আপডেট: 28 June 2021 09:58
দ্য ওয়াল ব্যুরো: হাঁপানি বা অ্যাজমা খুব চেনা অসুখ। প্রতিনিয়ত বাড়ছে এই সমস্যা। দেখা গেছে, প্রতি ১০ জন শিশুর মধ্যে ২-৩ জনেরই অ্যাজমা থাকে ইদানীং। এই অসুখ থেকে একেবারে মুক্তি সম্ভব নয়। তবে কয়েকটি পরামর্শ মেনে চললে এই রোগকে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।
হাঁপানি বা অ্যাজমা ফুসফুসের একটি ক্রনিক অসুখ, যাতে নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসে ব্যবহৃত ফুসফুসের সবচেয়ে ছোট চ্যানেলের প্রদাহ বা ইনফ্লেমেশন হয় এবং তা ফুলে ওঠে। বায়ু চলাচলের এই পথ বা ব্রঙ্কাই সরু হয়ে গেলে ফুসফুসে অক্সিজেন সরবরাহে বিঘ্ন ঘটে। পরিবারে হাঁপানি বা অ্যালার্জির ইতিহাস থাকলে বাচ্চারও অ্যাজমা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
অ্যাজমায় ভাল থাকার টিপস:
- একটা অ্যাজমা ডায়েরি মেন্টেইন করুন। কবে কখন আপনার সন্তানের অ্যাজমা অ্যাটাক হল তা লিখে রাখলে ঠিক কী কারণে তার সমস্যা বেড়ে গিয়েছিল তা বোঝা যেতে পারে। নির্দিষ্ট দিনের হিসেব রাখলে পরে পর্যালোচনা করতে সুবিধে হবে।
- বেশিরভাগ অ্যাজমেটিক শিশুর ধুলোয় প্রতিক্রিয়া দেখায়। তাই ধুলো-বালির সংস্পর্শে ওরা যাতে না যায়, সে খেয়াল রাখুন। ঘর যথাসম্ভব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখুন।
- শ্বাস-প্রশ্বাস জনিত কোনও রকম অসুবিধা সন্তানের হচ্ছে কিনা, কড়া নজর রাখুন। সর্দি, কাশি, ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো সংক্রমণে ওদের অ্যাজমার সমস্যা বাড়তে পারে।
- পারফিউম, মশার কয়েল, ধুপকাঠির তীব্র গন্ধে ওদের অসুবিধা হয়, তাই এগুলো থেকে ওদের দূরে রাখুন।
- আবহাওয়া বা ঋতু পরিবর্তনের সময়গুলোতে ওদের ওপর বিশেষ নজর দিন। ঠান্ডা, শুষ্ক আবহাওয়ায় সমস্যা বাড়তে পারে।
- অ্যাসপিরিন বা এনএসএআইডি-র মতো ব্যথা কমানোর ওষুধে হাঁপানির সমস্যা বেড়ে যায়। তাই এ ধরনের ওষুধ খাওয়ানোর আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
- কুকুর, বেড়ালের লোম, লালা থেকে মারাত্মক অসুবিধা হয়। তাই পোষ্য ভালোবাসলেও ঘরে ঢোকানোর ঝুঁকি নেবেন না।
- ধোঁয়া থেকে ক্ষতির সমূহ সম্ভাবনা থাকে। তাই সন্তানের অ্যাজমা থাকলে ঘরে ধূমপান থেকে বিরত থাকুন।
- ঠান্ডা লাগলে সমস্যা বাড়ে। কোনও ভাবেই যেন সন্তানের ঠান্ডা না লেগে যায়, সে বিষয়ে খেয়াল রাখুন।
- শিশুর ঘুম, খাওয়া-দাওয়া ঠিকঠাক হচ্ছে কিনা তাও খেয়াল রাখুন। অসম্পূর্ণ পুষ্টি ও ঘুম থেকে অ্যাজমা মারাত্মক আকার নিতে পারে। তাই সজাগ দৃষ্টি রাখুন সন্তানের ওপর।