দ্য ওয়াল ব্যুরো: দুষ্কৃতী তাণ্ডবে রণক্ষেত্রে পরিণত হলো চুঁচুড়ার বড়বাজার এলাকা। জেলা শাসকের অফিসের ঠিক নাকের ডগাতেই চলল গুলির লড়াই।পুলিশ জানিয়েছে, গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে এলাকার কুখ্যাত গুন্ডা হাতকাটা মুন্নার। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে বিশাল পুলিশবাহিনী। রয়েছেন এসিপি ১ জসপ্রিত সিং।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে খবর, মুন্না চৌধুরী ওরফে হাতকাটা মুন্না এতদিন এলাকার বাইরে ছিল। শনিবার রাতে সে এলাকায় ঢোকে। বড়বাজারের আজাদ হিন্দ ক্লাবের কাছে তাকে ঘিরে ধরে দুষ্কৃতীরা। শুরু হয় গুলির লড়াই। আতঙ্কে দৌড়োদৌড়ি শুরু করেন এলাকার লোকজন। বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি চলেছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। গুলি লেগে রক্তাক্ত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে মুন্না। তাকে ইমামবাড়া জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে, সেখানেই মৃত্যু হয় তার।
এ দিকে দুষ্কৃতী তাণ্ডবে উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় চুঁচুড়া থানার পুলিশ। এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছেন, পুলিশ পৌঁছনোর আগেই চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা। ঘটনাস্থল থেকে দুটো কার্তুজের খোলা উদ্ধার হয়েছে। স্থানীয় দুষ্কৃতীদের মধ্যেই লড়াই বলে প্রাথমিক ভাবে অনুমান পুলিশের।
ঘটনা প্রসঙ্গে স্থানীয় তৃণমূল কর্মী বিজয় কাহারে জানিয়েছেন, ক্লাব দখলকে ঘিরে ঝামেলা বাঁধে। তাঁর অভিযোগ, "বিজেপির দুষ্কৃতীরা ক্লাব দখল করতে এসেছিল। আমাকেও মারার চেষ্টা করে। এলাকার মানুষ আতঙ্কে রয়েছে, পুলিশি নিরাপত্তা চাই। "
এ দিকে তৃণমূলের অভিযোগ সম্পূর্ণ উড়িয়ে বিজেপি নেতা সুবীর নাগ বলেন, "এটা তৃণমূলের গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব। এখানে রোজ তপন দাশগুপ্ত আর তপন মজুমদার গোষ্ঠীর লড়াই লেগে থাকে। পুলিশ সব জেনেও নীরব।"