শেষ আপডেট: 28 December 2019 09:51
রহিমের পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার পর থেকে রহিমের দাদা কাশেম শেখ নিখোঁজ ছিলেন। পরে তাকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় খুঁজে পাওয়া যায়। চিকিৎসার জন্য কাশেমকে ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
ঘটনার খবর পেয়ে বাসন্তী থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে রহিম শেখকে উদ্ধার করে ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানেই চিকিৎসকরা রহিম শেখকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
মৃতের স্ত্রী আকলিমা শেখ ও ছেলে আজহার শেখের অভিযোগ, “যুব তৃণমূল করার অপরাধে তৃণমূল দুষ্কৃতীরা এমন কাণ্ড করেছে। দুষ্কৃতীদের গ্রেফতার করে অবিলম্বে শাস্তি দিক পুলিশ প্রশাসন।”
এই ঘটনার পরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমঝাড়ায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
বাসন্তীতে শুক্রবার রাতে যুব তৃণমূল কর্মী রহিম শেখ খুনের প্রতিবাদে এবং অভিযুক্ত দুষ্কৃতীদের গ্রেফতারের দাবিতে শনিবার বাসন্তীর শিমুলতলায় রাস্তা অবরোধ করে যুব তৃণমূল। তারা টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখায়। পরে বারুইপুরের পুলিশ সুপার রাশিদ মুনির খানের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী গিয়ে অবরোধকারীদের হটিয়ে দেয়।
বাসন্তী এলাকায় এর আগেও বেশ কয়েকবার রাজনৈতিক সংঘর্ষ হয়েছে। মূল তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে এখানে লড়াই যুব তৃণমূল কংগ্রেসের। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবারই বলেছেন দলের অন্দরে যেন কোনও দ্বন্দ্ব না থাকে, কোনও মতানৈক্য থাকলে তা মিটিয়ে নিতে। তাঁর আবেদনের পরেও অবশ্য ছবিটা বদলায়নি বাসন্তীতে। এই ঘটনাই তার প্রমাণ।
এ ব্যাপারে তৃণমূল কংগ্রেসের কেউ কোনও কথা বলতে চাননি। তাঁদের ফোন করা হলেও ফোন ধরেননি।