দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভাটপাড়া আছে ভাটপাড়াতেই। শুক্রবারের প্রভু সাউ-এর মৃত্যু, ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে বোমাবাজির ঘটনার চব্বিশ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই ফের অশান্ত ভাটপাড়া এবং কাঁকিনাড়া। বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে চলে বোমাবাজি।
মুহুর্মুহু বোমা পড়ল ভাটপাড়া ফাঁড়ির সামনে। কাঁকিনাড়া ৪ ও ৫ নম্বর রেল গেটের কাছে চলল গুলিও। গোটা ঘটনায় চার জন গুরুতর জখম। তাঁদের ভর্তি করা হয়েছে ব্যারাকপুর বিএন বসু হাসপাতালে। এলাকায় পৌঁছেছে বিরাট পুলিশ বাহিনী। চলছে তল্লাশি।
শুক্রবারই একটি আবাসনে দুষ্কৃতী ধরতে গিয়ে গোলাগুলির মধ্যে পড়তে হয়েছিল পুলিশকে। পাল্টা পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হয় প্রভু সাউ নামের ওই যুবকের। তারপর ফের সম্মিলনী ক্লাবের ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে বোমাবাজি চলে কাটাডাঙা এলাকায়।
এ দিন ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং বলেছেন, পুলিশ তাড়া করে ওই যুবককে গুলি করেছে। পুলিশের জন্যই প্রতিদিন অশান্তি হচ্ছে এলাকায়। পাল্টা খাদ্যমন্ত্রী তথা উত্তর চব্বিশ পরগনার তৃণমূল জেলা সভাপতি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেছেন, অর্জুন বাহিনী ভাটপাড়াকে মুক্তাঞ্চল করতে চাইছে। পুলিশ বাধা দিচ্ছে বলেই এত রাগ।
১৯ মে বিকেল থেকেই আগুন জ্বলছে ভাটপাড়ায়। দুষ্কৃতী ও পুলিশের সংঘর্ষের মাঝে পড়ে গত মাসে দুই ফুচকা বিক্রেতার মৃত্যুর পর দফায় দফায় অশান্তি হয়েছিল ওই এলাকায়। এমন অবস্থা হয়, থানা উদ্বোধনে যাওয়ার পথে রাজ্য পুলিশের ডিজি বীরেন্দ্রকে কনভয় ঘুরিয়ে ফিরে আসতে হয়।
তারপর একাধিক পদক্ষেপ হয়েছে। সিপি বদল হয়েছে ব্যারাকপুরের। তবু ভাটপাড়ার কোনও বদল নেই। আতঙ্কেই দিন কাটছে এলাকার মানুষের।