পে কমিশন তো হল, কিন্তু এরিয়ারের টাকা কি দেবেই না সরকার? ধোঁয়াশা রাখলেন অর্থমন্ত্রী
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর নতুন বেতন কাঠামোর ঘোষণা তো হল। কিন্তু রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা এরিয়ার তথা বকেয়া টাকা পাবেন কবে থেকে?
এ প্রশ্নের কোনও স্পষ্ট জবাব দিলেন না অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র। বরং বড় রকমের রহস্য ও কৌতূহল ঝুলি
শেষ আপডেট: 23 September 2019 12:29
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর নতুন বেতন কাঠামোর ঘোষণা তো হল। কিন্তু রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা এরিয়ার তথা বকেয়া টাকা পাবেন কবে থেকে?
এ প্রশ্নের কোনও স্পষ্ট জবাব দিলেন না অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র। বরং বড় রকমের রহস্য ও কৌতূহল ঝুলিয়ে রেখে দিলেন। বললেন, “পে কমিশন যা সুপারিশ করেছে তাই হবে। আর কিছু বলছি না।”
তাৎপর্যপূর্ণ হল, মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ দিন বিকেলে সাংবাদিক বৈঠক করেননি। তা করেছেন অর্থমন্ত্রী।
মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর এ দিন অমিত বাবু সাংবাদিকদের বলেন, ষষ্ঠ পে কমিশনের সব সুপারিশ মোটের উপর মেনে নেওয়া হল। কিছু কিছু ক্ষেত্রে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পে কমিশনের সুপারিশের থেকেও সাধ্যমতো ভাতা বাড়িয়ে দিয়েছেন।
অমিতবাবুর এ সব কথার পরই তাঁকে বকেয়া টাকা তথা এরিয়ার নিয়ে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা। যে হেতু ষষ্ঠ পে কমিশনের বাস্তবায়ন অনেক দিন ধরে বকেয়া তাই কর্মচারীরা মনে করেন, এরিয়ার তথা বকেয়া টাকা তাঁদের নায্য প্রাপ্য।
কিন্তু সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অমিতবাবু বলেন, “এ ক্ষেত্রে পে কমিশন যা সুপারিশ করেছে তাই হবে।” তখন তাঁকে আবারও প্রশ্ন করা হয় যে পে কমিশন তো ১ জানুয়ারি ২০১৬ থেকে বকেয়া টাকা তথা এরিয়ার দেওয়ার সুপারিশ করেছে। কিন্তু এ কথা শুনে অর্থমন্ত্রী বলেন, পে কমিশনের সুপারিশ যদি আপনাদের মুখস্থ থাকে, তা হলে অন্য কথা। আমি তো এখানে পে কমিশনের সুপারিশ প্রকাশ করতে পারব না। তা আপনাদের দেখাতেও পারব না।"

অর্থমন্ত্রী যে ভাবে বার বার এরিয়ারের প্রশ্ন এড়িয়ে গিয়েছেন তা থেকেই নবান্নের অনেকের সন্দেহ হচ্ছে তা হলে কি ওই টাকা পাওয়াই যাবে না। বস্তুত রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের অনেকেই আশা করে রয়েছেন তাঁরা বকেয়া টাকা পাবেন। অনেকে হয়তো পরিকল্পনাও করে রেখেছেন যে ওই টাকা দিয়ে কী করবেন!
নবান্নের এক কর্তার কথায়, কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের সঙ্গে রাজ্যের কর্মীদের মাইনের মধ্যে ৪২ শতাংশ ফারাক রয়েছে। এ দিন অর্থমন্ত্রীর ঘোষণার পর ঘোর সন্দেহ হচ্ছে যে সেই বিভেদ আদৌ কতটা মুছবে।
তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে বকেয়া মহার্ঘ ভাতা তথা ডিএ নিয়েও এ দিন অর্থমন্ত্রী কিছু বলতে চাননি। সম্প্রতি স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইবুন্যালের রায়ে স্পষ্ট জানানো হয়েছিল যে, বকেয়া ডিএ দ্রুত মেটাতে হবে। তিন মাসের মধ্যে রাজ্য সরকারকে সে ব্যাপারে ঘোষণা করতে হবে। কিন্তু তা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে অর্থমন্ত্রী এ দিন বলেন, ওই ব্যাপারটা বিচারাধীন রয়েছে। তাই কোনও মন্তব্য করব না।
আরও পড়ুন...
https://www.four.suk.1wp.in/state-finance-minister-amit-mitra-announces-the-new-pay-structure-at-nabanna/