দ্য ওয়াল ব্যুরো: সুন্দর পিচাইয়ের (sundar pichai) বিরুদ্ধে মুম্বইয়ে কপিরাইট আইন লঙ্ঘনের (copyright violation act) অভিযোগ সংক্রান্ত মামলায় এফআইআর (fir) করলেন ভারতীয় চলচ্চিত্র নির্মাতা, পরিচালক, প্রযোজক সুনীল দর্শন (film maker) । পিচাই গুগলের সিইও (google ceo)। পিচাই একা নন, গুগলের আরও ৫ কর্তার বিরুদ্ধে কপিরাইট লঙ্ঘন সংক্রান্ত অভিযোগ দায়ের করেছেন সুনীল। ১৯৫৭ সালের কপিরাইট লঙ্ঘন আইনের ৫১, ৬৩ ও ৬৯ ধারায় এফআইআর রুজু হয়েছে। গুগল ইউটিউবে অবাঞ্ছিত লোকজনকে তাঁর ছবি ‘এক হাসিনা থি এক দিওয়ানা থা’ আপলোড করার অনুমতি দিয়েছে বলে অভিযোগ এনে আইনের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই মামলা হয়েছে। মুম্বই পুলিশ বলেছে, আদালতের নির্দেশে কপিরাইট আইন ভাঙার মামলায় গুগল সিইও সুন্দর পিচাই ও আরও ৫ গুগল কর্তার বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছে। তদন্ত চলছে।
বলিউডের শীর্ষ তারকাদের নিয়ে একাধিক ছবি করেছেন সুনীল। তাঁর শেষ ছবিটিই হল এক হাসিনা থি, এক দিওয়ানা থা। ২০১৭ সালের ছবি। তবে একাধিক লোক ছবিটি ইউটিউবে আপলোড করেছেন। সুনীলের দাবি, আমি কাউকে ছবির স্বত্ব দিইনি বা বিক্রি করিনি। অনেক বছর ধরেই ইউটিউবের সঙ্গে লড়ছি। তাদের কাছ থেকে কোনও সাড়াই পাইনি। ছবি বানাই, সেগুলি আমার সম্পত্তি। অথচ অন্য কেউ ছবি সেগুলি আপলোড করছে। কোটি কোটি ভিউ হচ্ছে। ইউটিউব, অন্যরা তা থেকে আয় করছে। একাধিকবার অভিযোগ জানিয়েও কোনও ফল হয়নি। বাধ্য হয়েই তাই আদালতে যেতে হল। তারপরই কোর্ট মুম্বই পুলিশকে এফআইআর দায়ের করে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।
সুনীলের আইনজীবী আদিত্য চিতালে বলেছেন, এক হাসিনা থি, এক দিওয়ানা থা-র মেধা স্বত্ত্ব অধিকার সুনীল দর্শনের। এটা মূল্যবান,দামী পণ্য এবং কীভাবে তার বাণিজ্যিক ব্যবহার হবে, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা, অধিকার পুরোপুরি তাঁর। দর্শন নিজে ছাড়া আর কারও তাঁর কনটেন্ট আপলোড করার অধিকার বা লাইসেন্স নেই।
সুনীল বলেছেন, আমি একেবারেই প্রচার পাওয়ার চেষ্টা করছি না, শুধু সত্যিটা বলতে চাইছি। তার বেশি কিছু করা আমার উদ্দেশ্যও নয়। একজন ছবি করিয়ে ও কপিরাইটের অধিকারী হিসাবে কিছু অধিকার, ক্ষমতা আমার আছে। কেউ যখন নির্মমভাবে তা লঙ্ঘন করে, তখন আমার কী করা উচিত? আমি তো অসহায়।