
শেষ আপডেট: 10 May 2023 13:41
দ্য ওয়াল ব্যুরো, হুগলি: তৃণমূল ছাত্র পরিষদের দুই গোষ্ঠীর (TMCP Chaos) ঝামেলায় উত্তপ্ত হয়ে উঠল চন্দনগর কলেজ (Chandannagar College) চত্বর। দু’পক্ষের বচসা হাতাহাতি পর্যন্ত পৌঁছে যায়।
কয়েকদিন বাদেই চন্দননগর কলেজে সোশ্যালের অনুষ্ঠান রয়েছে। সেই অনুষ্ঠান নিয়েই টিএমসিপির দুই গোষ্ঠীর মধ্যে ঠান্ডা লড়াই চলছিল। সম্প্রতি হুগলি জেলা তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় সোমবুদ্ধ দত্তকে। তাঁর অনুগামীরা কলেজে বেশ সক্রিয়। সোমবুদ্ধর অনুগামীরা তাই সোশ্যালের আয়োজন করছিলেন। এটাই মেনে নিতে পারছিলেন না বিরুদ্ধ গোষ্ঠীর ছাত্ররা।
কলেজের অবজারভার সুইটি কোলের অভিযোগ, কয়েকজন কলেজের বাইরে তাঁদের বেশ কয়েকদিন ধরে উত্যক্ত করছিল। এর প্রতিবাদ জানিয়ে মিছিল করে চন্দননগর থানায় ডেপুটেশন দিতে গিয়েছিলেন তাঁরা। কলেজে ফেরার সময় ওই বহিরাগতরাই তাঁদের উপর চড়াও হয়ে মারধর শুরু করে। এতে দুই ছাত্রী আহত হন।
পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে কলেজের সামনে থেকে দুই পক্ষের বেশ কয়েকজনকে আটক করে। সেখানে প্রাক্তন সভাপতি সোমবুদ্ধ উপস্থিত থাকায় তাঁকেও আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। খবর পেয়ে তাঁর অনুগামীরা থানার সামনে জোড়ো হয়।
কলেজের এক ছাত্রী সোহিনী সামন্ত বলেন, ‘পাপ্পু চৌধুরী নামে এক বহিরাগত ভয় দেখাচ্ছে। সুইটি কলেজের অবজারভার। তাঁকে মারধোর করা হয়েছে। একই দলের সমর্থক হয়েও কেন এসব হচ্ছে বুঝতে পারচ্ছি না।’
তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি শুভদীপ মুখোপাধ্যায় বলেন, বহিরাগতদের সঙ্গে কলেজে ছাত্র-ছাত্রীদের একটা গন্ডগোল হয়েছে। সেখানে সোমবুদ্ধ ছিল। দলের কোনও ব্যাপার নয়। পুলিশ আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে।
এসএফআইয়ের হুগলি জেলা কমিটির সম্পাদক মণ্ডলী সদস্য সায়ন্তন ঘোষ বলেন, কলেজে নির্বাচন হচ্ছে না, তাই তৃণমূল ছাত্র পরিষদ চিন্তায় রয়েছে। আসলে ছাত্র সংসদের নামে নবীনবরণ থেকে টাকা তোলাটাই মূল উদ্দেশ্য। আসলে কলেজ কার দখলে থাকবে তাই নিয়ে লড়াই।
পঞ্চায়েত ভোট সৌরভের পরিচালনায় নয়, নতুন মুখ আসবে তার পরই নির্বাচন