দ্য ওয়াল ব্যুরো: এক পাগলা কুকুরের তাণ্ডবে অতিষ্ঠ বসিরহাট। আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। আতঙ্কে ঘুম উড়েছে এলাকাবাসীর। কুকুরের কামড় খেয়ে হাসপাতালে ভর্তি ২৬ জন।
স্থানীয়রা বলছেন, গত সাতদিন ধরে দিন রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছে ওই পাগলা কুকুর। শিশু মহিলা-পুরুষ সহ প্রায় ২৬ জন কুকুরের কামড় খেয়েছে। বসিরহাট মহকুমার হাসনাবাদ থানার ঘুনি গ্রামের রাস্তাঘাট কুকুর-আতঙ্কে শুনশান।
আজ শনিবার সকালে নিজের বাড়ির দাওয়ায় বসে রান্না করছিলেন প্রণতি দাস। বলেছেন, আচমকাই পিছন থেকে এসে ঝাঁপিয়ে পড়ে কুকুরটা। কামড় বসায় হাতে, গলায়। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে ভর্তি করা হয়েছে হাসপাতালে। একই অবস্থা তাপসী মণ্ডলের। তাঁর গলাতেও কামড়ে দিয়েছে ওই পাগলা কুকুর।
ঘুনি গ্রামের বাসিন্দা হরি মণ্ডল কুকুরের কামড়ে গুরুতর জখম। বলেছেন, কুকুরটাকে পিছু নিতে দেখেই তাড়াতাড়ি পথ চলছিলেন। কিন্তু রেহাই মেলেনি। ছুটে এসে হাতে কামড়ে দেয় কুকুর। আরও চারজনকে জখম অবস্থায় ভর্তি করা হয়েছে বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে।
এর আগে দু'বছরের এক শিশুকন্যা এবং পাঁচ বছরের একটি ছেলেকেও কামড়েছিল ওই পাগলা কুকুর। দুই বছরের শিশুকন্যা বর্ষা রায় এবং পাঁচ বছরের বালক নারায়ন আড়িকে টাকি গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এই ঘটনার জেরে এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। বন দফতরকে খবর দেওয়া হয়েছে। মানুষের পাশাপাশি বাদ নেই ছাগল, হাঁস, মুরগিও। রাস্তাঘাটে পশুদেরও কামড়াচ্ছে কুকুরটি।
ওই কুকুরের আতঙ্কে গ্রামে রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অনেককেই ঘরে দরজা বন্ধ করে থাকতে হচ্ছে। স্কুলে যেতেও ভয় পাচ্ছে ছাত্রছাত্রীরা।