শেষ আপডেট: 23 December 2018 12:15
রবিবার ভোরে গৌরাঙ্গ ভবনে প্রথমে বৈতালিক, আলো ফুটতেই শীতের রোদ গায়ে মেখেই উপসানায় পৌষ মেলা শুভ আরম্ভ করেন ছাত্র-ছাত্রীরা। বৈদিক পাঠের পর রবীন্দ্রসঙ্গীত, তারপরেই পৌষ মেলার ডাক। সবমিলিয়ে শান্তিনিকেতন আজ থেকেই পুরোপুরি উৎসবের মেজাজে। বেলা গড়াতেই ভিড় বাড়ে। তিন দিনের বদলে এবছর ছয় দিনের পৌষ মেলা। যা আশ্রমিক, স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকদের কাছে বাড়তি পাওনা। পরিবেশের কথা মাথায় রেখে গত বছরের মতো এই বছরেও মেলায় আতস বাজি নিষিদ্ধ।
সে যাই হোক, শুধুই কী বিকিকিনি। এই মেলা তো সাংস্কৃতিক মেলবন্ধনেরও। শিকড়ের টানে ছুটে আসা প্রাক্তনিদের রিইউনিয়নও বটে। তাই ক্যালেন্ডারে তারিখ দেখে ঠিক ৭ পৌষ শান্তিনিকেতনে হাজির হয়েছেন বহু প্রাক্তনি। ৭ -১২পৌষ চলবে মেলা। রেশ থাকবে ১৩ পৌষেও।
৭ পৌষ, ১২৫০। ব্রাহ্ম ধর্মে দীক্ষিত হয়েছিলেন মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর। সেই দিনই পৌষ মেলার মূল ভিত্তি স্থাপন। এরপর বাংলার ১২৯৮-র ৭ পৌষ (ইংরেজির ১৮৯১সালের ২১ ডিসেম্বর) শান্তিনিকেতনে ব্রাহ্মমন্দিরের স্থাপন হয়। ইংরেজির ১৮৯৪ সালে মন্দিরের প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে সামনের মাঠেই ছোট্ট করে গ্রাম্য মেলা শুরু হয়। সেই অনাড়ম্বর গ্রাম্য মেলাই আজ জনপ্রিয় পৌষ মেলা। ঠিকানা সেই ভুবন ডাঙার মাঠ।
প্রতিরক্ষায় নতুন সাফল্য, সফলভাবে উৎক্ষেপণ হলো অগ্নি ৪ মিসাইল