
শেষ আপডেট: 15 November 2022 09:50
দ্য ওয়াল ব্যুরো, জলপাইগুড়ি: ক্লাস টু পাশের বিদ্যে নিয়ে আয়ুর্বেদিক ডাক্তার হওয়ার শখ হয়েছিল রংবাজের (Fake Doctor)। এক বিকলাঙ্গ শিশুর চিকিৎসও শুরু করেছিল। কিন্তু শেষমেশ সব ছলচাতুরি ফাঁস হয়ে যাওয়ায় কান্নায় ভেঙে পড়ে বানারহাটের (Banarhat) এই ভুয়ো ডাক্তার।
মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা রংবাজ শেখ। প্রায় নিরক্ষর এই যুবক বিকলাঙ্গ রোগীদের চিকিৎসার ব্যবসা ফাঁদে। সম্প্রতি জানতে পারে জলপাইগুড়ি জেলার বানারহাটের সুভাষ পল্লীর বাসিন্দা বিশ্বজিৎ রায়ের ৬ বছরের ছেলে ঋশি বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন। বিভিন্ন যায়গায় তার চিকিৎসা করিয়েও ফল পায়নি পরিবার। এরপরই রংবাজ আয়ুর্বেদিক ডাক্তার সেজে বিশ্বজিতের বাড়িতে এসে হাজির হন। ঋষিকে ভালভাবে পরীক্ষা করে ওষুধও দেন। সেই ওষুধের দাম হিসেবে ২৮ হাজার টাকা চায় বলে ঋষির পরিজনদের অভিযোগ।
এদিকে রংবাজের ওষুধের এই অস্বাভাবিক দাম শুনে বিশ্বজিৎ রায়ের মনে সন্দেহ হয়। এরপরই তিনি অনলাইনে ওই ভুয়ো ডাক্তারের আই কার্ডের নাম ও ডিগ্রি দিয়ে অনলাইনে সার্চ করলে গোলোযোগ টের পান। বোঝেন পুরোটাই ভুয়ো বিষয়। এরপরই ভুয়ো আয়ুর্বেদিক ডাক্তার ধরতে ফাঁদ পাতেন বিশ্বজিৎ।
ওষুধ নেবেন বলে মঙ্গলবার সকালে রংবাজ শেখকে বাড়িতে ডাকে ঋষির বাড়ির সদস্যরা। সে এলে পাড়া প্রতিবেশীরা মিলে ওই ভুয়ো ডাক্তারকে ঘিরে ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করতে শুরু করে। চাপে পড়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন রংবাজ। স্বীকার করে সে ভুয়ো ডাক্তার, ক্লাস টু অবধি পড়াশোনা করেছে।
এরপর পরিবারের সদস্যরা খবর দেয় স্থানীয় বিন্নাগুড়ি পুলিশ ফাঁড়িতে। পুলিশ এসে ওই ভুয়ো আয়ুর্বেদিক চিকিৎসককে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়।
ম্যানেজমেন্টের ছাত্র, পেশায় ফুড ব্লগার, পরিবারের অমতে প্রেমিকার সঙ্গে লিভ-ইন! কে এই আফতাব