Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তান

পুলিশকে সতর্ক করলো পুলিশই, কিন্তু কেন এই সতর্কতা?

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সামলে চালাও, প্রাণ বাঁচাও— পথ দুর্ঘটনায় রাশ টানতে ২০১৬ সালের জুলাই থেকে রাজ্য জুড়ে ‘সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ’ কর্মসূচির প্রচারে বার্তা এমনই। সে কথা প্রচার ও নজরদারির দায়িত্বে মূলত রয়েছে পুলিশই। কিন্তু বারবারই অভিযোগ উঠেছে, নিরা

পুলিশকে সতর্ক করলো পুলিশই, কিন্তু কেন এই সতর্কতা?

শেষ আপডেট: 2 July 2019 18:30

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সামলে চালাও, প্রাণ বাঁচাও— পথ দুর্ঘটনায় রাশ টানতে ২০১৬ সালের জুলাই থেকে রাজ্য জুড়ে ‘সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ’ কর্মসূচির প্রচারে বার্তা এমনই। সে কথা প্রচার ও নজরদারির দায়িত্বে মূলত রয়েছে পুলিশই। কিন্তু বারবারই অভিযোগ উঠেছে, নিরাপদে গাড়ি চালানোর বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির এই প্রয়াস সফল করার দায়িত্ব যাঁদের কাঁধে, সেই পুলিশকর্মীদের এক অংশই নিয়ম ভাঙেন রাস্তায়। হেলমেট ছাড়াই চালান মোটরবাইক, স্কুটার । রাজ্য জুড়ে যেখানে গোষ্ঠী সংঘর্ষ দিন দিন মাথা চাড়া দিচ্ছে, বাড়ছে অপরাধ প্রবণতা, এমন জটিল পরিস্থিতিতে খোদ পুলিশকর্মীদের আইন ভাঙার ঘটনায় রীতিমতো অস্বস্তিতে প্রশান। আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজে মোতায়েন করা হলে সেই পুলিশ কর্মীর হেলমেট পরা বাধ্যতামূলক। বিধি ভঙ্গ করা চলবে না কোনও মতেই। এই মর্মে ছ’দফা নির্দেশিকা জারি করেছেন এডিজি (আইনশৃঙ্খলা) জ্ঞানবন্ত সিং। কী কী লেখা রয়েছে সেই নির্দেশিকায়: ১) আইন রক্ষার কাজে মোতায়েন কোনও পুলিশ কর্মীই হেলমেট ছাড়া মোটরবাইক বা স্কুটার চালাতে পারবেন না। ২) হেলমেটের বদলে কোনও রকম টুপি পরা যাবে না। ৩) পুলিশ অফিসার ও কর্মীদের খেয়াল রাখতে হবে বাইক চালানোর সময় মাথায় হেলমেট ও অন্যান্য সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা যেন ঠিক থাকে। ৪) দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসারদের কাজ হবে এটা খেয়াল রাখা যে, ডিউটির সময় অধীনস্থ কর্মীরাও এই প্রতিরক্ষামূলক বিধিগুলো মেনে চলছে। ৫) সকারি কাজের জন্য নথিবদ্ধ অস্ত্রের সঠিক প্রয়োগ করাটা বাধ্যতামূলক। ৬) গুরুত্ব সহকারে এই বিধিগুলো তদারকি করার দায়িত্ব অকুস্থলে উপস্থিত শীর্ষ পুলিশ আধিকারিকদের। পথে দুর্ঘটনা রুখতে সরকারি কর্মসূচি সফল করতে নানাবিধ নিয়মের অন্যতম মোটরবাইক বা স্কুটার আরোহীদের হেলমেট পরা। নিয়ম না মানলে জরিমানা। পেট্রোল পাম্পে হেলমেট ছাড়া তেল দিতে নিষেধ করা হয়েছে। প্রশাসনিক তথ্য বলছে, তার পরেই হেলমেটের ব্যবহার বেড়েছে। নজরদারির জন্য মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানো বা বেপরোয়া গাড়ি চালানোর প্রবণতাও কমেছে। কিন্তু তার পরেও ফাঁক থাকছে। অধিকাংশ পথ দুর্ঘটনা এখনও পথচলার নিয়ম না মানার জন্যই ঘটছে। কিন্তু যাঁদের কাঁধে তা দেখার দায়িত্ব, তাঁদের অনেকেই নিয়ম মানতেন না— প্রায়শই এমন ছবি দেখা গেছে জেলা, শহরে। এমনকী এ-ও প্রশ্ন উঠেছে, পুলিশকর্মীদের জীবনের কী দাম নেই? নাকি তাঁদের নিয়ম মানার বালাই নেই? জেলা থেকে শহর— বিভিন্ন থানার কর্মরত পুলিশ আধিকারিকদের বক্তব্য— উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে এমন নির্দেশ আগেও এসেছে। কিন্তু সেটা এমন লিখিত আকারে ছিল না। এ বার সেই বিধিগুলোকেই লিখিত আকারে সামনে আনলেন এডিজি। দেখা গিয়েছে কোনও জায়গায় কোনও গণ্ডগোল হলে পুলিশ ঠেকাতে গেলে তাঁদেরই আক্রমণের মুখে পড়তে হয়। গত কয়েক মাসে জেলায় জেলায় এমন নজির প্রচুর। ডাক্তার আন্দোলনের সময়ে মুখ্যমন্ত্রী নিজেই বলেছিলেন, “কোথাও কোনও গণ্ডগোল হলে স্পন্টেনিয়াস রিঅ্যাকশনে আগে পুলিশের উপরেই উপরেই হামলা হয়।” পর্যবেক্ষকদের মতে, সব দিক বিবেচনা করেই, পুলিশবাহিনী সুরক্ষিত রাখতেই প্রশাসনের উপর তলা থেকে বিষয়টি নিয়ে এই তৎপরতা।

```