
শেষ আপডেট: 23 March 2023 10:47
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বছর ঘুরলেও মেলেনি মৃত্যুর শংসাপত্র (death certificate)। এমনই অভিযোগ বগটুইয়ে নিহত কাজি সাজিদুল রহমানের পরিবারের। ২০২২ সালের একুশ মার্চ বগটুইয়ে অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় সাজিদুল ও তাঁর স্ত্রী মর্জিনা বিবির। তারপর এক বছর কেটে গেছে। কিন্তু আজও ছেলে ও বউমার (son and daughter-in-law) মৃত্যুর শংসাপত্র মেলেনি বলে অভিযোগ সাজিদুলের মা নূরনিহার বিবির (old woman)। বগটুই থেকে ৮০ কিলোমিটার দূরে নানুরের দান্যপাড়া গ্রামের বাসিন্দা তাঁরা। ওই অভিশপ্ত দিনে স্ত্রীকে নিয়ে বগটুইয়ে শ্বশুরবাড়িতে গিয়েছিলেন ৩১ বছরের সাজিদুল। আর ঘরে ফেরা হয়নি তাঁদের।
২০২২ সালের ২১শে মার্চ দুষ্কৃতীদের ছোঁড়া বোমার আঘাতে প্রাণ হারান রামপুরহাট ব্লকের বরশাল গ্রাম পঞ্চায়েতের উপ প্রধান ভাদু শেখ। অভিযোগ, সেই ঘটনার জেরেই ওই রাতেই বগটুইয়ে তাণ্ডব চালায় ভাদু শেখের ঘনিষ্ঠরা। বগটুই গ্রামের বাসিন্দা মিহিলাল শেখের বাড়িতে তালা বন্ধ করে জ্যান্ত জ্বালিয়ে দেওয়া হয় একজন শিশু সহ দশজন পুরুষ ও মহিলাকে। সেই আগুনেই অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা যান নানুরের দান্যপাড়া গ্রামের বাসিন্দা বছর ৩১ এর কাজি শাহিদূর ইসলাম ও তাঁর স্ত্রী মর্জিনা বিবি।
শাহিদুরের মা নূরনিহার বিবি জানান, ওই ঘটনার পরে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন মৃতদের মাথা পিছু ৫ লক্ষ টাকা ও পরিবারের একজনকে চাকরি দেওয়া হবে। ছেলে-ছেলের বৌয়ের মৃত্যুর পরে একজনের ক্ষতিপূরণ পেয়েছেন। তবে দুজনের কারও মৃত্যুর শংসাপত্র এখনও পাননি। সরকারের তরফে প্রথম কয়েকদিন খবরাখবর নেওয়া হলেও এখন আর কেউ খোঁজ রাখে না। বলেন, “ছেলের মৃত্যুর শোকে অসুস্থ হয়ে পড়েছে ওর বাবাও। কীভাবে দিনগুলি কাটছে শুধু আমরাই জানি।”
ছেলে বৌমার মৃত্যুর একবছর পরে শুধু তাদের হত্যাকারীদের কঠোর শাস্তির দাবি করছেন মৃত শাহিদুরের মা নূরনিহার বিবি।