ফিল্মি কায়দায় আইনজীবীকে খুন করতে গিয়ে ধরা পড়ে গেলেন ইঞ্জিনিয়ার
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ফিল্মি কায়দায় এক আইনজীবীকে খুন করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ে গেলেন বক্রেশ্বর তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের এক উচ্চপদস্থ ইঞ্জিনিয়ার। অভিযোগ তেমনই। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত ইঞ্জিয়ারের কাছ থেকে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে একটি ৯ এমএম পিস্তল,
শেষ আপডেট: 28 January 2020 13:14
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ফিল্মি কায়দায় এক আইনজীবীকে খুন করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ে গেলেন বক্রেশ্বর তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের এক উচ্চপদস্থ ইঞ্জিনিয়ার। অভিযোগ তেমনই। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত ইঞ্জিয়ারের কাছ থেকে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে একটি ৯ এমএম পিস্তল, বারোটি লাইভ কার্তুজ ও একটি ভোজালি। মঙ্গলবার ঘটনাটি ঘটেছে মেদিনীপুর শহরে।
অনিলকুমার সিনহা নামে বক্রেশ্বর তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের এক ইঞ্জিনিয়ার মঙ্গলবার সকালে দেখা করতে যান অশোককুমার মণ্ডল নামে এক আইনজীবীর সঙ্গে। প্রথমে তিনি আইনজীবীর ছেলে সুমন মণ্ডলের সঙ্গে কথা বলছিলেন। অভিযোগ, কথা বলতে বলতে আচমকা পিস্তল বের করে সুমনের উপরে হামলা করতে যান অনিল। সুমনের চিৎকারে ছুটে আসেন তাঁর বাবা অশোক। অশোককুমার মণ্ডলের দাবি, অনিলকুমার সিনহা তাঁর ছেলেকে গুলি করতে গিয়েছিলেন, তবে সেই সময় পিস্তল থেকে ম্যাগাজিনটি খুলে পড়ে যায়। গুলি করতে না পেরেও ক্ষান্ত হননি অনিল। ব্যাগ থেকে ভোজালি বার করে তিনি সুমনকে আক্রমণ করেন। কোনও রকমে আক্রমণ প্রতিহত করার চেষ্টা করেন সুমন।

এরপর বাবা ও ছেলের চিৎকারে ছুটে আসেন আশপাশের লোকজন। সকলে মিলে ওই ইঞ্জিনিয়ারকে ধরে ফেলেন। তাঁরা খবর দেন মেদিনীপুর কোতোয়ালি থানায়। পুলিশ এসে গ্রেফতার করে অনিলকে।
এক বিবাহবিচ্ছেদের মামলা নিয়ে বেশ কয়েক বছর ধরে অনিল ও অশোকের মধ্যে বিবাদ চলছে। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, সেই আক্রোশের জেরেই মদ খেয়ে মত্ত অবস্থায় আইনজীবীকে হত্যা করতে উদ্যত হন অনিল। ধৃতকে মঙ্গলবার মেদিনীপুর আদালতে তোলা হলে বিচারক তাঁকে পাঁচ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন।
আচমকা আক্রমণে গুরুতর আহত হয়েছেন পেশায় আইনজীবী সুমন মণ্ডল। প্রাথমিক চিকিৎসার পরে অবশ্য মেদিনীপুর শহরের বটতলায় নিজের বাড়িতেই তিনি রয়েছেন। ঘটনার পর থেকে আহত আইনজীবীর পরিবার আতঙ্কগ্রস্ত।