
শেষ আপডেট: 19 May 2023 14:23
দ্য ওয়াল ব্যুরো, উত্তর ২৪ পরগনা: পটল খেত (field) পরিচর্যা করতে গিয়ে হাইএক্সটেনশন তারে হাত লেগে যাওয়ায় তড়িদাহত (Electrocuted) হয়ে মৃত্যু হল তিনজন সবজি চাষির (while farming)। আশঙ্কাজনক অবস্থায় একজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এই ঘটনার পর বিদ্যুৎ দফতরের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগে তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়েছে বসিরহাটের (Basirhat) বাদুরিয়ায়। গ্রামবাসীরা থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ শুরু করেন। তাঁদের অভিযোগ, প্রশাসনের গাফিলতির জন্যই তিন তিনটি তরতাজা প্রাণ চলে গেছে। তাই মৃতদের পরিবারকে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বাদুড়িয়ার থানা এলাকার মধ্যেই পরে বাজিতপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বামনহাট গ্রাম। শুক্রবার ভোরবেলায় আনারুল জমাদার (৪৭) ও তাঁর ছেলে রহমান জমাদার (২০) নিজেদের জমিতে চাষ করা পটল গাছের পরিচর্যা করছিলেন। জমির ঝোপের আড়ালে ছিঁড়ে পড়া হাইএক্সটেনশন তার তাঁদের নজরে আসেনি। সেই তারে হাত পড়তেই দু’জনেই তড়িদাহত হন। বাবা-ছেলেকে বিদ্যুতের তার জড়ানো অবস্থায় দেখে তাঁদের বাঁচাতে সেখানে ছুটে যান বছর বাহান্নর রফিকুল ফকির ও আরও এক প্রতিবেশী। সেখানে গিয়ে রফিকুলও তড়িদাহত হন। এই তিনজনকে বাঁচাতে গিয়ে ওই প্রতিবেশীও গুরুতর আহত হন।
গ্রামের অন্যান্যরা চারজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করেন। কিন্তু পথেই মৃত্যু হয় আনারুল, তাঁর ছেলে রহমান ও রফিকুলের। প্রতিবেশী ওই ব্যক্তিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তিনজন গ্রামবাসীর মৃত্যুর খবর পেতেই রীতিমতো উত্তেজিত হয়ে ওঠে গোটা গ্রামের মানুষ। বিদ্যুৎ দফতর বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলে তাঁরা বিক্ষোভ শুরু করেন। তাঁদের অভিযোগ, বৃহস্পতিবার রাতে ব্যাপক ঝড়-বৃষ্টিতে বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে পড়ে ছিল কৃষি জমিতে। এই খবর আগেই বিদ্যুৎ দফতরকে দিয়েছিলেন গ্রামবাসীরা। কিন্তু তারপরও কোনও ব্যবস্থাই নেয়নি দফতর। জমির মধ্যে ৪৪০ ভল্টের বিদ্যুতের তার খোলা অবস্থায় পড়েছিল। তাতেই এমন ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে গেল।
বাদুড়িয়ার কাটিয়াহাট রাজ্যবিদ্যুৎ দফতরের শাখা অফিসের বিরুদ্ধে চরম গাফিলতি নিয়ে পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন মৃতদের আত্মীয়রা। তাঁরা মৃতদের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন।
মুখ ঢেকেছে পিয়ার্সিং-এ, বাংলা ছবির ভিলেন এখন হাবরার 'চাওয়ালা'