
শেষ আপডেট: 12 September 2023 10:19
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দিন কয়েক আগেই ঝালদা পুরসভা দখল করেছে তৃণমূল। গত বুধবার ঝালদা পুরসভার (Jhalda municipality) পুরপ্রধান শীলা চট্টোপাধ্যায় এবং আরও চার কংগ্রেস কাউন্সিলর যোগ দেয় তৃণমূলে। তারপরই বদলে যায় এই পুরসভার সমীকরণ। সপ্তাহ ঘুরতে না ঘুরতেই এই পুরসভাতে এল ইডির নোটিস (ED)। পুর নিয়োগ দুর্নীতি (Municipalty Corporation) মামলায় চিঠি পাঠাল তদন্তকারী এজেন্সি।
ইডি সূত্রের খবর, ২০১৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ওই পুরসভায় যত নিয়োগ হয়েছে, সেইসব নিয়োগ সংক্রান্ত তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছে। এই প্রসঙ্গে ঝালদা পুরসভার আধিকারিক গৌতম গোস্বামী বললেন, 'ইডি একটা চিঠি পাঠিয়েছে। পুরসভায় স্থায়ী ও অস্থায়ী কর্মী যা নিয়োগ হয়েছে তার তথ্য চেয়েছে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এই চিঠির উত্তর দেব আমরা।'
পুরসভা সূত্রে খবর, ২০১৪ সাল থেকে ৭ জন স্থায়ী কর্মী নিয়োগ হয়েছে। যার মধ্যে ১জন একজন অ্যাসেসমেন্ট ইন্সপেক্টর, ১ জন ইলেকট্রিক মিস্ত্রি, ১ জন অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার, ২ জন সব অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার, ১ জন অফিস সুপারিনটেনডেন্ট এবং ১ জন অ্যাসেসমেন্ট ইনচার্জ। ইডির এই চিঠির আগেই রাজ্যের আর্বান ডেভলপমেন্ট অ্যান্ড মিউনিসিপ্যাল অ্যাফেয়ার থেকে নিয়োগ সংক্রান্ত সব তথ্য চেয়ে পাঠানো হয়েছিল পুরপ্রধানের কাছে।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সাল থেকেই বোর্ড গঠন নিয়ে বারবার খবরের শিরোনামে উঠে এসেছে ঝালদা পুরসভা। কখনও এই পুরসভা থাকে তৃণমূলের দখলে। কখনও আবার এই পুরসভা কংগ্রেস আবার কখনও নির্দলের দখলে থাকে। এই বোর্ড গঠন নিয়ে হাইকোর্টেও মামলা হয়েছে। হাইকোর্টের নির্দেশে ঝালদা পুরসভায় বোর্ড গঠন হয়। আবার দলবদলও হয়েছে।
এর আগেও পুরনিয়োগ মামলায় ইডি ঝালদা পুরসভাকে নোটিস পাঠিয়েছে। গৌতমবাবুর কথায়, 'সোমবারই আমরা ডাকযোগে ও ইমেল মারফত ইডির নোটিস পেয়েছি। আমরা উত্তর দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি। আগেও একই প্রশ্নের উত্তর জানতে চাওয়া হয়েছিল। সেসময় চিঠি লিখে জানানো হয়েছিল।'
আরও পড়ুন: সৌমেন্দুর রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়ল! তদন্তের স্বার্থে পুলিশ ডাকতে পারবে, নির্দেশ হাইকোর্টের