শেষ আপডেট: 16 January 2020 14:03
এই খনিতে জমে থাকা জল বার করলেই তা ফের চালু করা সম্ভব বলে মনে করছেন শ্রমিকরা। তাঁদের হিসাবে এজন্য ২৩ লক্ষ খরচ হবে। এটি করলে খনিগর্ভের ১৫ থেকে ২৬ স্তর পর্যন্ত সঞ্চিত ৭২ হাজার টন কয়লা উত্তোলন করা সম্ভব বলেও তাঁরা মনে করছেন।
১৪ নভেম্বর ইসিএল ঘোষণা করেছিল যে ১৫ জানুয়ারি থেকে এই খনির কাজ বন্ধ করে দেওয়া হবে। খনির শ্রমিকদের অন্যত্র বদলি করে দেওয়া হবে।
কোলিয়ারি চালু রাখার দাবি করেছিল পাঁচটি শ্রমিক সংগঠনকে নিয়ে গড়া জয়েন্ট অ্যাকশন কমিটি। খনি চালু রাখার জন্য তারা একটি রিপোর্ট তৈরি করে তা জমা দেয় খনি কর্তৃপক্ষের কাছে। তবে সিদ্ধান্ত মেনে আজ থেকে বন্ধ হয়ে যায় খনিটি।
কোলিয়ারি বন্ধ হওয়ায় তার বড় প্রভাব পড়তে পারে এই এলাকায়। এলাকার বেকার যুবকরা কোলিয়ারিকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ধরনের দোকান দিয়েছেন। কোলিয়ারি বন্ধ হয়ে গেলে যুবকরা দোকান বন্ধ করে দিতে বাধ্য হবেন। ফলে তাঁরা বেকার হয়ে যাবেন। সমস্যা হবে এলাকার অর্থনীতিতে।
কোলিয়ারির উপরে নির্ভর করে থাকে আরও অনেক ব্যবসাই। যেমন গাড়ির ব্যবসা। কোলিয়ারি বন্ধ হলে তাঁদেরও অনেক সমস্যা হবে।
গ্রামবাসীদের দাবি, এই কয়লাখনিটি বন্ধ করার আগে কোলিয়ারির ম্যানেজারকে আলোচনা করতে হবে গ্রামবাসীদের সঙ্গে।
মূলত আসানসোল মহকুমার সোদপুর ও পুরুলিয়ার রঘুনাথপুরের সামান্য অংশ – এই নিয়েই সোদপুরের মাউথডিহি খনি। এবছরের গোড়ার দিক পর্যন্ত ইসিএলের যে ১৪টি খনি চালু ছিল তার মধ্যে এটি অন্যতম ছিল।