Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
TCS Scandal: যৌন হেনস্থা, ধর্মান্তরে চাপ! নাসিকের টিসিএসকাণ্ডে মালয়েশিয়া-যোগে আরও ঘনাল রহস্যক্যান্ডিডেটস জিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে গুকেশের মুখোমুখি সিন্দারভ, ড্র করেও খেতাবের লড়াইয়ে বৈশালীIPL 2026: চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে হেরে টেবিলের তলানিতে কেকেআর! গুরুতর বদলের ইঙ্গিত রাহানের নববর্ষের 'শুভনন্দন'-এও মুখ্যমন্ত্রীর SIR তোপ! বাংলায় পয়লা বৈশাখের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীরইরানের সব পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ করে‌ দেওয়া হয়েছে, দাবি আমেরিকার, চিন্তা ইরানি ল্যান্ডমাইনও Poila Baisakh: দক্ষিণেশ্বর থেকে কালীঘাট, নববর্ষে অগণিত ভক্তের ভিড়, পুজো দিতে লম্বা লাইনপয়লা বৈশাখেই কালবৈশাখীর দুর্যোগ! মাটি হতে পারে বেরনোর প্ল্যান, কোন কোন জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাসমেয়েকে শ্বাসরোধ করে মেরে আত্মঘাতী মহিলা! বেঙ্গালুরুর ফ্ল্যাটে জোড়া মৃত্যু ঘিরে ঘনীভূত রহস্য UCL: চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ চারে পিএসজি-আতলেতিকো, ছিটকে গেল বার্সা-লিভারপুল‘ইরানকে বিশ্বাস নেই’, যুদ্ধবিরতির মাঝে বিস্ফোরক জেডি ভ্যান্স! তবে কি ভেস্তে যাবে শান্তি আলোচনা?

দত্তপুকুর বিস্ফোরণকাণ্ডে মৃত বেড়ে ৯, ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিন্নভিন্ন দেহ, বাজি না বোমা তদন্তে পুলিশ

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দত্তপুকুরে বিস্ফোরণকাণ্ডে (Duttapukur Explosion) মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ৯। বেআইনি বাজি কারবারি কেরামত আলির ছিন্নভিন্ন দেহ উদ্ধার হয়েছিল রবিবারই। আজ আরও দু'জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, কেরামত আলির কারখানার অংশীদার

দত্তপুকুর বিস্ফোরণকাণ্ডে মৃত বেড়ে ৯, ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিন্নভিন্ন দেহ, বাজি না বোমা তদন্তে পুলিশ

শেষ আপডেট: 28 August 2023 05:58

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দত্তপুকুরে বিস্ফোরণকাণ্ডে (Duttapukur Explosion) মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ৯। বেআইনি বাজি কারবারি কেরামত আলির ছিন্নভিন্ন দেহ উদ্ধার হয়েছিল রবিবারই। আজ আরও দু'জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, কেরামত আলির কারখানার অংশীদার সামশুল আলির বাড়িতেই বিস্ফোরণ হয়। সামশুলের ঝলসানো দেহ উদ্ধার হয়েছে। আরও একজনের মুণ্ডহীন দেহ পাওয়া গেছে বাড়ির কাছেই পুকুর পাড়ে। এখনও পর্যন্ত বিস্ফোরণের ঘটনায় মোট ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা। এদিন সকালে ছিন্নভিন্ন দেহ উদ্ধার হয়েছে ঘটনাস্থল থেকে। যে বাড়িতে বিস্ফোরণ ঘটেছিল তার থেকে প্রায় ৮০ মিটার দূরে সোমবার সকালে উদ্ধার হয়েছে একটি ছিন্ন হাত। সেই সঙ্গেই প্রশ্ন উঠেছে, কারখানায় শুধুই কি আসতবাজি তৈরি হত? নাকি বাজি তৈরির আড়ালে বোমা তৈরি হত কারখানায় (Duttapukur Explosion)। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে রবিবার ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন তদন্তকারীরা।

দত্তপুকুরের মোচপোল গ্রামে বেআইনি বাজি তৈরির কারখানায় ভয়ানক বিস্ফোরণ হয় (Duttapukur Explosion) । গোটা কারখানায়ই ভস্মীভূত হয়ে যায়। বিস্ফোরণের তীব্রতা দেখে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। পুলিশ জানাচ্ছে, এলাকায় ওই বেআইনি বাজি কারখানাটি বহুদিন ধরেই সক্রিয় ছিল। দুর্ঘটনার সময় কারখানাটিতে অনেক শ্রমিক কর্মরত ছিলেন। কারখানার ভেতরে ছিলেন শিশু ও মহিলারাও। এখনও অনেকের দেহ ধ্বংসস্তুপের নীচে আটকে রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। গোটা এলাকা এখনও কালো ধোঁয়ায় ঢেকে আছে। ভিতরে ধিকি-ধিকি জ্বলতে থাকা আগুন নেভানোর কাজ চলছে।

আরও পড়ুন: দত্তপুকুরের বাজি কারখানা যেন গবেষণাগার, তিন রাসায়নিকের বিক্রিয়াতেই কি এত বড় বিস্ফোরণ

রবিবারের বিস্ফোরণে মৃতদের দেহ একেবারে ছিন্নভিন্ন হয়ে গিয়েছিল। পাশের বাড়ির দোতলার ছাদে পাওয়া যায় একটি দেহাংশ। সোমবারও এক প্রতিবেশীর বাঁশ বাগানের পাশে পরেছিল দেহ থেকে ছিন্ন হওয়া মাথা। পুকুরে ভাসছিল দেহ।

মাস কয়েক আগে এগরা বিস্ফোরণ কাণ্ডের পর রাজ্যের বেআইনি বাজি কারখানার বিষয়টি নিয়ে সরগরম হয়েছিল রাজ্য রাজনীতি। কিন্তু তা সত্ত্বেও এই কারবার যে বন্ধ হয়নি তা দেখিয়ে দিয়েছে দত্তপুকুরের ঘটনা। বেআইনি বাজি কারবারের সঙ্গে যুক্ত একজনকে এদিনই গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতের নাম সফিকুল ইসলাম। বাজি কারখানায় সফিকুলেরও অংশীদারিত্ব ছিল বলে জানা গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কেরামত শেখই ছিলেন এই বাজি কারবারের মাথা। সামশুল নামে স্থানীয় এক বাসিন্দার জমিতেই বাজি কারখানা গড়ে তুলেছিলেন কেরামত। সফিকুল ছিল এই কাজে তাঁর পার্টনার।

পুলিশের অনুমান, শুধু বাজি নয়, বোমা তৈরির রাজও হত কারখানায়। এত বড় বিস্ফোরণ দেখে পুলিশের অনুমান শুধু মামুলি বাজি মজুত ছিল না কারখানায়। ধ্বংসাবশেষ ঘেঁটে বেশ কিছু নমুনা পেয়েছেন তদন্তকারীরা যা থেকে অনুমান করা হচ্ছে অ্যালুমিনিয়াম বা ম্যাগনেসিয়াম জাতীয় কিছু বাজি তৈরিতে ব্যবহার করা হত। নমুনাগুলো ফরেন্সিক ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। পরীক্ষা করেই এই ব্যাপারে নিশ্চিত তথ্য দেওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। বিস্ফোরণস্থল থেকে পাথরকুঁচি ও স্টোনচিপের মতো কিছু জিনিস পাওয়া গেছে যা থেকে অনুমান করা হচ্ছে বোমার স্প্লিন্টারের মতো কিছু জিনিস ছিল সেখানে। তবে এই সবই অনুমানমাত্র। কোনও নিশ্চিত তথ্য এখনও অবধি পাওয়া যায়নি। এলাকাবাসীদের দাবি, বহু বছর ধরে বেআইনি বাজিই তৈরি হত ওই কারখানায়। শ্রমিকদের কোনও প্রশিক্ষণ ছিল না। ফলে রাসায়নিক কাঁচামাল থেকেই বিস্ফোরণ ঘটেছে বলে মনে করা হচ্ছে।


```