
শেষ আপডেট: 28 August 2023 10:50
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শেষরক্ষা হল না। ছেলের প্রাণ গিয়েছিল আগেই। এবার মৃত্যু হল বাবারও। দত্তপুকুরের বাজি কারখানায় বিস্ফোরণের (Duttapukur blast) ঘটনায় কারখানার অন্যতম মালিক কেরামত আলিরও মৃতু হল রবিবার (Keramat ali dead)।
সূত্রের খবর, পূর্ব মেদিনীপুরের এগরার খাদিকুল গ্রামে বাজি কারখানায় বিস্ফোরণের ঘটনার পর যখন মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে রাজ্যজুড়ে বেআইনি বাজি কারখানায় তল্লাশি চালিয়েছিল পুলিশ, তখন অস্ত্র আইনে গ্রেফতার হয়েছিল হয়েছিল কেরামত। এমনকী, ২০২১ সালের পর বাজি তৈরির লাইসেন্স রিনিউ না করিয়েই ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছিল সে।
যদিও সেবার জামিনে মুক্তি পেয়ে যায় কেরামত। আর তারপরেই নতুন উদ্যমে বেআইনি বাজির ব্যবসা ফেঁদে বসে। আগেও নাকি দত্তপুকুরের ওই এলাকায় একাধিকবার ছোটখাটো বিস্ফোরণ ঘটেছে। আহতও হয়েছেন কারখানার কর্মীরা। কিন্তু বাইরে কাউকে কিছু জানতে না দিয়ে গোপনে তাদের চিকিৎসা করিয়ে নিয়ে আসত কেরামত ও তার দলবল, এমনটাই অভিযোগ স্থানীয়দের।
এর আগে এগরার খাদিকুলের বিস্ফোরণ (Egra blast) কাণ্ডেও একইভাবে মৃত্যু হয়েছিল কারখানা মালিক ভানু বাগের। বাজি তৈরি ছিল তারও নেশা। সেখানেও নাকি আগে একাধিক ছোট বড় বিস্ফোরণ ঘটেছে। তবে তাতে পরোয়া করত না ভানু। শেষবার বিস্ফোরণে পুড়ে ঝলসে গিয়েছিল সে। ভানুকে নিয়ে পালিয়ে গিয়ে ওড়িশার একটি হাসপাতালে ভর্তি করিয়েছিল তার ভাইপো। জানা গিয়েছিল, এমনভাবেই পুড়ে গিয়েছিল ভানু যে কলাপাতায় মুড়ে রাখা হয়েছিল তাকে। তবে অদৃষ্টের লিখন খণ্ডাতে পারেনি ভানু বাগ। পারল না কেরামতও।
মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে রাজ্য পুলিশের ডিজি, দত্তপুকুর বিস্ফোরণ কাণ্ডের পর বৈঠক!