
শেষ আপডেট: 22 February 2022 11:50
অভিযোগ, এখান থেকেই বিপত্তির শুরু। ১৩ ডিসেম্বর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর দিন পনেরো কাটতে না কাটতে ফের বুকে ব্যথা শুরু হয় কাশীনাথ চৌধুরীর। বুকের বাঁদিকে অস্ত্রোপচারের জায়গায় ছোট গর্ত তৈরি হয়। এরপর থেকে প্রতিনিয়ত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও বিষয়টিকে কোনওরকম গুরুত্ব দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ পরিবারের। দিন কয়েক পর ভেতরের সেই যন্ত্র বাইরে গর্ত দিয়ে বেড়িয়ে আসে। যার ফলে জোর আতঙ্ক ছড়ায় পরিবারে।
হাসপাতাল সুপারিনটেনডেন্ট ডক্টর দুর্গাদাস রায় জানান, এই অভিযোগ ভিত্তিহীন। তদন্ত করে বোর্ড মিটিং করে সবটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কোনও গুরুত্ব না দিয়ে সাধারণ ইনফেকশন বলে ড্রেসিং করে কাশীনাথবাবুকে ছেড়ে দিয়েছে বলে পরিবারের অভিযোগ। কিন্তু অবস্থার অবনতি হওয়ায় এবার গোটা পরিবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও স্বাস্থ্য মন্ত্রককে মেল করে লিখিতভাবে সবটা জানায়। মেল পেয়ে তড়িঘড়ি জেলা স্বাস্থ্য দফতর দুর্গাপুরের বেসরকারি ঐ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেয়।
অবশেষে রোগীসহ পরিবারের লোকজনকে ডেকে পাঠানো হয় হাসপাতালে। বসে বোর্ড মিটিং। অত্যন্ত সঙ্কটজনক অবস্থায় বুক ফুঁড়ে বেড়িয়ে আসা ঐ যন্ত্র বুকে চেপে রোগীকে নিয়ে আসা হয় বেসরকারি হাসপাতালে। পরিবারের দাবি, রোগীকে সুস্থ করে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দিক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। কাশীনাথবাবুর একমাত্র ছেলে পুলিশ কর্মী। তিনিও এইদিন হাসপাতালে এসে ক্ষোভে ফেটে পড়েন। বর্তমানে কাশীনাথবাবুকে সম্পূর্ণ সুস্থ করেই বাড়ি নিয়ে যেতে চাইছে তাঁর পরিবার।
পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'