তিতলি ঝড়ে ঝাড়গ্রামে ভেঙে পড়ল চার লক্ষ টাকার মণ্ডপ
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পুজো এসে গিয়েছে। বোধনের বাকি আর মাত্র একটা দিন। জোরকদমে চলছে মণ্ডপ তৈরির শেষবেলার কাজ। দিন-রাত জেগে 'ফিনিশিং টাচ' দিচ্ছেন শিল্পীরা। আর এমন শেষ মুহূর্তে তিতলির ঝড়ে উল্টে গেল গোটা মণ্ডপ। ঝাড়গ্রাম জেলার সাঁকরাইলের রোহিনী এলাকা
শেষ আপডেট: 13 October 2018 15:01
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পুজো এসে গিয়েছে। বোধনের বাকি আর মাত্র একটা দিন। জোরকদমে চলছে মণ্ডপ তৈরির শেষবেলার কাজ। দিন-রাত জেগে 'ফিনিশিং টাচ' দিচ্ছেন শিল্পীরা। আর এমন শেষ মুহূর্তে তিতলির ঝড়ে উল্টে গেল গোটা মণ্ডপ। ঝাড়গ্রাম জেলার সাঁকরাইলের রোহিনী এলাকার নতুনবাজার সার্বজনীন দুর্গামণ্ডপের এমন দুর্ঘটনায় মাথায় হাত পূজা কমিটির!
শুক্রবার সকাল থেকেই শুরু হয় বৃষ্টি। সেই সঙ্গে প্রবল ঝোড়ো হাওয়া। তিতলির জেরে দুর্যোগ শুরু হয় গোটা পশ্চিম মেদিনীপুরেই। এমন সময়, সকাল সাড়ে ন'টা নাগাদ মণ্ডপের ভিতরে পুজো কমিটির সম্পাদক সন্তু জানা-সহ আরও তিন সদস্য পুজোর আলোচনায় ব্যস্ত ছিলেন। হঠাৎ কয়েক সেকেন্ডর ঝড়ে পাল্টে গেল ছবিটা। পিছনে হেলে পড়ে গেল গোটা মণ্ডপ। ভিতরের প্রতিমাও ভূমিসাৎ।

কোনও রকমে প্রাণে বাঁচেন ভিতরের ওই চার সদস্য। সম্পাদক সন্তু জানা বলেন, "আমরা মণ্ডপের ভিতরে ছিলাম। হঠাৎ কয়েক সেকেন্ডের ঝড়ে উল্টে যায় মণ্ডপটি। আমরা ছুটে বাইরে বেরিয়ে আসি। কী ভাবে এ বছর পুজো হবে, কিছু খুঁজে পাচ্ছি না।"
নতুনবাজার সার্বজনীন পুজো কমিটির এবারের বাজেট চার লক্ষ টাকা। রাজ্য সরকারের ১০ হাজার টাকাও পেয়েছে পুজো কমিটি। এক লাখ ৮০ হাজার টাকা দিয়ে তৈরি হচ্ছিল বাঁশ ও কাপড়ের মণ্ডপ। কিন্তু সেই মণ্ডপে মায়ের কাছে প্রার্থনা করার সাধ আর পূরণ হল না গ্রামবাসীর।